আজকাল ওয়েবডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা আরও কড়া করল নির্বাচন কমিশন। ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক নজরদারি, অভিযান। মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তর জানিয়েছে, স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।
কোচবিহারে বড়সড় অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুজনকে। সিআরপিএফ ও জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে বড়সড় সাফল্য মিলেছে। চ্যাংড়াবান্ধা বাইপাস নাকা পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলি, একটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃত দুজনের নাম মিনেরুল ইসলাম এবং রহমান। তারা দুজনেই কোচবিহারের বাসিন্দা। এছাড়াও কোচবিহার কোতওয়ালি এলাকায় পৃথক অভিযানে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ গাঁজা। যার আনুমানিক মূল্য ৫৯.৩৯ লক্ষ টাকা।
২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে ব্যাপক সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেখানে রয়েছে নগদ ১১০১.৪ লক্ষ টাকা, মদ ৫৭৭১.৪৪ লক্ষ টাকা, মাদক ৬৭৩৫.১৫ লক্ষ টাকা, মূল্যবান ধাতু ৩৮৫৫.২৬ লক্ষ টাকা, ফ্রিবিজ ও অন্যান্য সামগ্রী ১৫,২৮০.৯৪ লক্ষ টাকা। মোট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৩২,৭৪৪.১৯ লক্ষ টাকা।
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বড়সড় পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন। উদ্ধার হয়েছে ২৫১ টি লাইসেন্সবিহীন অস্ত্র, কার্তুজ ৪০১টি, বিস্ফোরক ১২৭.৭ কেজি, বোমা ৮৮৭টি, লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র ৫২,৮৬৯টি।
৬ এপ্রিল আকাশবাণী ভবনে রাজনৈতিক দলগুলির জন্য সম্প্রচার সময় বরাদ্দে লটারি অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগী। রাজ্যজুড়ে পোস্টার-ব্যানার সরানোর অভিযান চালানো হয়েছে। সেখানে সরকারি সম্পত্তি থেকে অপসারণ করা হয়েছে ১১,৪১,৮৬৩টি। বেসরকারি সম্পত্তি থেকে অপসারণ করা হয়েছে ১,৩৭,৫৪০টি। মোট মামলা করা হয়েছে ১৩,২৭,৯০২টি। সবচেয়ে বেশি অপসারণ হয়েছে পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা উত্তর, পূর্ব মেদিনীপুর থেকে।
&t=546s
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুসারে ২৩ এপ্রিল প্রথম পর্বের ভোট হবে। ২২ ও ২৩ এপ্রিল পূর্ব অনুমোদন ছাড়া বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় পর্বের ভোট হবে। ২৮ ও ২৯ এপ্রিল পূর্ব অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভোটের আগের দিন ও ভোটের দিন অনুমোদন ছাড়া কোনও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা যাবে না। শান্তিপূর্ণ ভোটে কমিশনের কড়া নজর রয়েছে। মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তর জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনে কড়া নজরদারি অভিযান চলবে। স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ তৈরি।















