মিল্টন সেন, হুগলি: সিবিএসসি-র দ্বাদশ শ্রেণীর ফল প্রকাশিত হয়েছে বুধবার। বিশেষভাবে নজর কেড়েছে হুগলির চুঁচুডার টেকনো ইন্ডিয়া পাবলিক স্কুল। এবছর স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির তিন বিভাগের ২১৮ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন সফলভাবে। সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৯৮.২ শতাংশ। ৯০ থেকে ৯৮ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন ৩১ জন। স্কুলের ১৪ জন পড়ুয়ার প্রাপ্ত নম্বর ৯৫ শতাংশের ঊর্ধ্বে। খুশি অভিভাবকরা। স্কুলে এসে তারা অভিনন্দন জানিয়েছেন শিক্ষক এবং স্কুল কর্তৃপক্ষকে। বৃহস্পতিবার ঘটা করে স্কুলের তরফে সংবর্ধনা দেওয়া হয় পড়ুয়াদের। সফল পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে উদ্বুদ্ধ হল স্কুলের অসংখ্য পড়ুয়া।

এবছর দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল অনুযায়ী স্কুলের ১০০ শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ১৪ জন। যারা ৯৫ শতাংশের ঊর্ধ্বে নম্বর পেয়ে স্কুলে প্রথম দশে রয়েছেন। ৯৮.২০ শতাংশ নম্বর পেয়ে শীর্ষে রয়েছেন অভীক গুছাইত। মোট ৫০০ নম্বরের মধ্যে তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১। এদিন স্কুলে এসে অধ্যক্ষ দেবায়ন দত্তকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অভীকের মা। 

স্কুলে প্রথম দশে থাকা বাকি ১৩ জন হলেন, জয়দেব দাস, প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৮। সূর্যায়ু সান্যাল, প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৬। রুচিরা মুখার্জি পেয়েছেন ৪৮৩। অসিন মণ্ডেলর প্রাপ্ত নম্বর ৪৮১। সুদর্শন আহির পেয়েছেন ৪৭৮। সমবৃতা মিত্র মজুমদার পেয়েছেন ৪৭৮, স্বর্ণশ্রী ভাড় পেয়েছেন ৪৭৭, প্রাপ্তি ঘোষ ৪৭৭, অঙ্কনা ভাড়ের প্রাপ্ত নম্বর ৪৭৪। উড়না রাউত পেয়েছেন ৪৭৪। রূদ্র দাস পেয়েছেন ৪৭৩ এবং রোহন দত্তের প্রাপ্ত নম্বর ৪৭২। 

বৃহস্পতিবার স্কুল অডিটরিয়ামে সেরা ১৪ জন ছাত্র ছাত্রীকে সংবর্ধনা জানানো হয়। কৃতিদের হাতে পুষ্পস্তবক, মিষ্টি এবং উপহার তুলে দেন অধ্যক্ষ এবং শিক্ষক শিক্ষিকারা। ছাত্রছাত্রীদের অসাধারন ফলাফলে খুশি স্কুল কর্তৃপক্ষ।

এই প্রসঙ্গে স্কুলের অধ্যক্ষ বলেছেন, “এই সফলতার নেপথ্যে অবদান রয়েছে স্কুলের শিক্ষক-অশিক্ষক থেকে শুরু করে স্কুলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সকলের। প্রথমত দশম শ্রেণির পর থেকেই স্কুলের তরফে পড়ুয়াদের বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়ে থাকে। মেধা অনুযায়ী পড়ুয়াদের বিজ্ঞান কলা এবং বাণিজ্য বিভাগে বিভক্ত করে পঠনপাঠন চলে। সঙ্গে থাকে পড়ুয়াদের নিরলস অধ্যয়ন এবং শিক্ষক শিক্ষিকাদের অক্লান্ত পরিশ্রম। অধ্যাপনার দায়িত্ত্ব যাঁরা থাকেন তাঁরা প্রত্যেক মুহূর্তে প্রতিটি পরীক্ষার্থীকে নিখুঁত ভাবে তৈরি করার দায়িত্ত্ব পালন করে থাকেন। এই সাফল্য প্রত্যাশিত, কারণ এটা ছাত্র শিক্ষকের মিলিত চেষ্টার সুফল।”