আজকাল ওয়েবডেস্ক: নজরে যেমন শিশু ও নারী সুরক্ষা, নজরে তেমন পার্কিং সংক্রান্ত সংক্রান্ত বিষয়ও। অর্থাৎ কোনও বিষয়ই নজর এড়িয়ে যাচ্ছে না, তেমনটাই বার্তা নয়া সরকারের। অগ্নিমিত্রা পাল, শিশু ও নারী কল্যাণ এবং পুরোন্নয়ন মন্ত্রীর কথায় এদিন স্পষ্ট হল আরও একবার।
তিনি এদিন বলেন, শুধুমাত্র অনুমোদিত জায়গাতেই পার্কিং করা যাবে। অগ্নিমিত্রা জানান, 'রাস্তার দু'পাশে অবৈধভাবে পার্কিং রাখা হয়। সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে, যেদিকে পার্কিং, সেদিকেই গাড়ি থাকবে। যেদিকে পার্কিং করার কথা নয়, সেদিকে কোনও গাড়ি থাকবে না। তাতে মানুষের যাতায়াতে সুবিধা হবে।' একই সঙ্গে তৃণমূল সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করে অগ্নিমিত্রা বলেন 'বিভিন্ন জায়গায় ভুয়ো পার্কিং স্লিপ নিয়ে তৃণমূলের ক্যাডার এবং অন্যান্য মানুষ টাকা তুলেছেন, সেই রাজস্ব সরকারের কাছে আসেনি। আমার দপ্তর থেকে এই নোটিস দেওয়া হচ্ছে, যেখানে যেখানে এই ধরনের ভুয়ো রসিদ দেখিয়ে টাকা তোলা হচ্ছে পার্কিং-এর, দ্রুততার সঙ্গে বন্ধ করা হবে তা।' নির্দিষ্ট পার্কিং ফি থাকবে বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। বলেন, 'প্রত্যেকটা পার্কিং লটে একটা নির্দিষ্ট রেট চার্ট দিয়ে দেওয়া হবে। যে যার মতো খুশি পার্কিং নিতে পারবে না।'
শুরু থেকেই বিজেপি সরকারের পাখির চোখ শিশু ও নারী সুরক্ষা। এই দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অগ্নিমিত্রা পালকে। তিনি নারী ও শিশু বিকাশ এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী। এছাড়াও পুরোন্নয়ন দপ্তরেরও মন্ত্রী তিনি। প্রথম থেকেই একাধিক বিষয়ে কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। এবার সামনে আনলেন সরকারের আরও কয়েকটি উদ্যোগের প্রসঙ্গ।
এদিন অগ্নিমিত্রা জানান, 'পুরোন্নয়ন এবং শিশু ও নারী কল্যাণ, যে দুটি বিভাগের দায়িত্ব আমার, ওই দুই বিভাগের জন্য একটি নম্বর জনসাধারণকে দেওয়া হবে। পুরোন্নয়ন বিভাগের যে সমস্যা, তাঁরা ওই নম্বরে ফোন করে বলবেন। তার উপরে আমরা কাজ করব। নারী এবং শিশু বিভাগেও যে যে সমস্যা, ওই বিভাগের নম্বরে ফোন করে জানাতে হবে। তার উপরে আমরা অ্যাকশন নেব। ' এই প্রসঙ্গে একটি বিষয় আরও স্পষ্ট করে জানান, 'চাইল্ড হেল্পলাইন নম্বর আছে। কিন্তু মহিলাদের আলাদা হেল্পলাইন নম্বর নেই। ফলে চাইল্ড হেল্পলাইন নম্বরকেই একই সঙ্গে জুড়ে ব্যবহার করা হবে। ফোন ওখানেই আসবে।' অর্থাৎ, তারপর সমস্যা পৃথক করে নিয়ে, সমাধান করবে রাজ্য সরকার।















