আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাংলায় তৈরি হতে চলেছে বিশ্বের বৃহত্তম দই কারখানা। আগামী ১৩ জুন, হাওড়ার সাকরাইলে এই কারখানার শিলান্যাস, আর শিলান্যাসে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর তেমনটাই।
দইয়ের এই কারখানা প্রসঙ্গে, তথ্য সামনে এসেছিল আগেই। জানা গিয়েছে-৬০০ কোটির মেগা প্রকল্প হবে হাওড়ায়। তৈরি করছে আমূল। প্রকল্পটি তৈরি হতে চলেছে হাওড়ার সাঁকরাইল ফুড পার্কে।
কলকাতা থেকে মাত্র ২৫-৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন সাঁকরাইল ফুড পার্কে এই কারখানা গড়ে তোলা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই কারখানা থেকে ১০ লক্ষ কিলোগ্রাম দই, লস্যি, ঘোল উৎপাদন হবে বলে। তবে এই বিশাল পরিমাণ দ্রব্য উৎপাদন করার জন্য, আমূলকে রাজ্যের বাইরে থেকেও দুধ আমদানি করতে হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
আমূল দেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ এবং নির্ভ যোগ্য একটি ব্র্যান্ড। অমূলের বৃহৎ প্রজেক্ট তৈরি হওয়াকে কেন্দ্র করে জেলার সাধারণ মানুষও দারুণ উচ্ছ্বসিত এবং নতুন কর্মসংস্থানের দিক থেকে আশাবাদী। কারণ, আমূলের কাজের সঙ্গে জড়িয়ে লক্ষ লক্ষ গোয়ালা। কারণ, এই সংস্থায় মূলত ত্রি-স্তরীয় মডেল চলে। গ্রামীণ দুগ্ধ সমবায় সমিতি, জেলা সমবায় ইউনিয়ন, রাজ্যস্তরের ফেডারেশন ৷ বঙ্গে নয়া কারখানা হওয়ায়, বিপুল কর্মসংস্থান হবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।
দুধ উৎপাদনে দেশে সর্বোচ্চ স্থানে আমূল। ১৯৪৬ সালে আনন্দ মিল্ক ইউনিয়ন লিমিটেড (AMUL)। কোম্পানির হাত ধরে দেশের বড় অংশের গোয়ালারা উপকৃত হচ্ছে। নতুন প্রজেক্টের মাধ্যমে হাওড়া জেলায় বড় কর্মসংস্থানের সুযোগ সেই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের বড় অংশের গোয়ালা উপকৃত হবে।
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে আমুলের মোট টার্নওভার ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ লক্ষ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে। আমুল ব্র্যান্ডের অধীনে দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রয় করে। গুজরাট কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন (জিসিএমএমএফ)। গত অর্থবর্ষে জিসিএমএমএফ-এর টার্নওভার ১১.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭৩,৪৫০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা তার পূর্ববর্তী অর্থবর্ষে ছিল ৬৫,৯১১ কোটি টাকা।















