আজকাল ওয়েবডেস্কঃ বর্ধিত বয়সের প্রভাব পড়ে শরীরে। ৩০ বছর বয়স পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ত্বকে বলিরেখা, সূক্ষ্ম রেখার মতো বার্ধক্যের লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। সঙ্গে একাধিক শারীরিক জটিলতাও হানা দেয়। তবে শরীরে বয়সের ছাপ আটকাতে পারে জল। হ্যাঁ, ঠিক পড়ছেন। জলেই লুকিয়ে যৌবন ধরে রাখার রহস্য। তবে শুধু জল পান করলেই চলবে না, সঠিক পদ্ধতিতে জল খাওয়াও প্রয়োজন। কারণ ভুলভাবে জল খেলে উল্টে হতে পারে নানা শারীরিক সমস্যা।
১. জল দিয়ে দিন শুরুঃ সকালে ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে অন্তত এক গ্লাস জল পান করুন। এটি কেবল শরীরকে টক্সিনমুক্তই করে না, একইসঙ্গে ঘুমের সময় ধীরগতির বিপাকক্রিয়াকেও সক্রিয় করে। সকালের জল লিভার, কিডনি এবং ত্বককে সতেজ রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে। চাইলে হালকা গরম জল পান করতে পারেন। এটি পেট এবং ত্বক উভয়ের জন্যই খুবই উপকারী।
২. অল্প অল্প করে জল পানঃ একবারে পুরো গ্লাস জল পান করার পরিবর্তে, ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে অথবা কিছুক্ষণ মুখে রেখে জল পান করুন। এতে পেটে আরও লালা যাবে, যা হজমশক্তি উন্নত করবে। একইসঙ্গে মাইগ্রেন এবং মাথাব্যথার মতো সমস্যায় স্বস্তি পাওয়া যায়, কান, নাক এবং গলার স্বাস্থ্যও ঠিক থাকে।
৩. ঠান্ডা জল এড়িয়ে চলুনঃ গরমকালে ঠান্ডা জল খেতে বেশ ভালই লাগে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, যত গরমই হোক না কেন, ফ্রিজের ঠান্ডা জল সবসময় এড়িয়ে চলা উচিত। ঠান্ডা জল পান করলে শরীরের পরিপাকতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বিপাকক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। পরিবর্তে, মাটির পাত্রের বিশুদ্ধ জল সবচেয়ে ভালো বিকল্প। এটি কেবল শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখে না, স্বাভাবিকভাবেই শরীরকে ঠান্ডাও করে।
৪. খাওয়ার আগে-পরে জল নয়ঃ খাওয়ার ঠিক আগে বা পরে জল পান করা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। এটি হজম প্রক্রিয়াকে দুর্বল করে দেয় এবং পেট ফাঁপার মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে এবং ৩০ মিনিট পরে জল পান করুন।
৫. বসে জল পান করুনঃ অনেকেরই দাঁড়িয়ে জল পান করার অভ্যাস রয়েছে। পুষ্টিবিদদের মতে, এই অভ্যাস মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। দাঁড়িয়ে জলপান করলে লিভার, কিডনি থেকে বদহজম, আর্থারাইটিসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বসে মেরুদন্ড সোজা করে জল খাওয়াই বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি।
















