আজকাল ওয়েবডেস্ক: আয় বাড়াতে নতুন পদক্ষেপ রাজ্য বনোন্নয়ন নিগমের। এবার অনলাইনে মধু এবং "সিট্রোনিলা অয়েল" বিক্রি করবে তারা। সেইসঙ্গে বিক্রি করা হবে নিগমের তৈরি কাঠের নানা গৃহস্থালির ও ঘর সাজানোর জিনিস।
এবিষয়ে রাজ্য বনোন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সবসময়ই রাজ্যের প্রতিটি দপ্তরকে উৎসাহিত করেন এগিয়ে যাওয়ার জন্য। আমরাও সমবেতভাবে সেই প্রচেষ্টাই চালাচ্ছি। যে কটি পণ্য আমরা অনলাইনে বিক্রির জন্য নিয়ে আসছি তার সবকটিই সেরা। এই পণ্যগুলি ছাড়াও আগামীদিনে আমরা আরও বেশ কিছু জিনিস বাণিজ্যিকভাবে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছি।"
কার্যত শীতের মরসুমে যে সমস্ত জিনিসের চাহিদা বেড়ে যায় তার মধ্যে অন্যতম হল মধু। নিগমের নিজস্ব মধু "মৌবন"-এর চাহিদা যথেষ্ট থাকলেও এবার বিদেশেও যাতে এই মধু বাজারজাত করা যায় সেবিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতেই এই উদ্যোগ।
দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, "মৌবন মধু সম্পূর্ণভাবেই সুন্দরবন থেকে সংগ্রহ করা হয়। রাজ্যে এই মধুর যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। এবার রাজ্য ছাড়িয়ে দেশের নানাপ্রান্ত এবং বিদেশেও এই মধু বাজারজাত করার পরিকল্পনা নিয়েছি আমরা। আগামী ২৮ ডিসেম্বর গোটা বিষয়টি নিয়ে আমরা এক বৈঠকে বসতে চলেছি।"
এই মধু বা সিট্রোনিলা অয়েলের পাশাপাশি নিগম তৈরি করছে কাঠের তৈরি গৃহস্থালির নানা জিনিসপত্র। এর মধ্যে রয়েছে হাতা, খুন্তি, থালাসহ ঘর সাজানোর নানা ধরনের কাঠের সামগ্রী। "ফার্নিচার" তৈরির পর যে কাঠের টুকরো পড়ে থাকছে সেই কাঠই ব্যবহার করে এই জিনিসপত্র তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।
আরও একটি যে বড় পদক্ষেপ নিগমের থেকে নেওয়া হয়েছে সেটি হল রাজ্যে তাদের জমিতে ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে সেরকম গাছের চাষ বাড়ানো। ওই আধিকারিক জানান, "ইউক্যালিপটাস, অশ্বগন্ধা বা এই জাতীয় গাছ, যেগুলি নানা ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে সেই ধরনের গাছের চাষ আমরা আরও বাড়াতে চলেছি। ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় এই চাষ হবে। যেগুলি আমরা ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগাব।"
এবিষয়ে রাজ্য বনোন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সবসময়ই রাজ্যের প্রতিটি দপ্তরকে উৎসাহিত করেন এগিয়ে যাওয়ার জন্য। আমরাও সমবেতভাবে সেই প্রচেষ্টাই চালাচ্ছি। যে কটি পণ্য আমরা অনলাইনে বিক্রির জন্য নিয়ে আসছি তার সবকটিই সেরা। এই পণ্যগুলি ছাড়াও আগামীদিনে আমরা আরও বেশ কিছু জিনিস বাণিজ্যিকভাবে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছি।"
কার্যত শীতের মরসুমে যে সমস্ত জিনিসের চাহিদা বেড়ে যায় তার মধ্যে অন্যতম হল মধু। নিগমের নিজস্ব মধু "মৌবন"-এর চাহিদা যথেষ্ট থাকলেও এবার বিদেশেও যাতে এই মধু বাজারজাত করা যায় সেবিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতেই এই উদ্যোগ।
দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, "মৌবন মধু সম্পূর্ণভাবেই সুন্দরবন থেকে সংগ্রহ করা হয়। রাজ্যে এই মধুর যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। এবার রাজ্য ছাড়িয়ে দেশের নানাপ্রান্ত এবং বিদেশেও এই মধু বাজারজাত করার পরিকল্পনা নিয়েছি আমরা। আগামী ২৮ ডিসেম্বর গোটা বিষয়টি নিয়ে আমরা এক বৈঠকে বসতে চলেছি।"
এই মধু বা সিট্রোনিলা অয়েলের পাশাপাশি নিগম তৈরি করছে কাঠের তৈরি গৃহস্থালির নানা জিনিসপত্র। এর মধ্যে রয়েছে হাতা, খুন্তি, থালাসহ ঘর সাজানোর নানা ধরনের কাঠের সামগ্রী। "ফার্নিচার" তৈরির পর যে কাঠের টুকরো পড়ে থাকছে সেই কাঠই ব্যবহার করে এই জিনিসপত্র তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।
আরও একটি যে বড় পদক্ষেপ নিগমের থেকে নেওয়া হয়েছে সেটি হল রাজ্যে তাদের জমিতে ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে সেরকম গাছের চাষ বাড়ানো। ওই আধিকারিক জানান, "ইউক্যালিপটাস, অশ্বগন্ধা বা এই জাতীয় গাছ, যেগুলি নানা ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগে সেই ধরনের গাছের চাষ আমরা আরও বাড়াতে চলেছি। ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় এই চাষ হবে। যেগুলি আমরা ভবিষ্যতে বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগাব।"
















