আজকাল ওয়েবডেস্ক: সাংসদের লগ ইন আইডি এবং পাসওয়ার্ড শেয়ার করার অভিযোগে যদি তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে সংসদ থেকে বরখাস্ত করা হতে পারে তবে বুধবার লোকসভার ভেতরে এই ঘটনার জন্য কেন মহীশূরের বিজেপি সাংসদ প্রতাপ সিমহাকে বরখাস্ত করা হবে না। কারণ, যে দুজন এদিন সংসদের ভেতরে এই "স্মোক বম্ব" ব্যবহার করে গোটা দেশের নিরাপত্তাকে প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে তারা এই সাংসদের সাক্ষর সম্বলিত পাস নিয়েই সংসদের ভেতরে ঢুকেছিলেন। প্রশ্ন তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। এক ভিডিও বার্তায় রাজ্যসভার সাংসদ সাকেত গোখলে এই প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর প্রশ্ন, "সাংসদ প্রতাপ সিমহা এবং তাঁর দল দেশের নিরাপত্তাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?"
কার্যত বুধবার দুপুরে টেলিভিশনে এই ঘটনার সম্প্রচারের পর রীতিমতো হতভম্ব হয়ে যায় গোটা দেশ। সংসদের দর্শক গ্যালারি থেকে আচমকা লাফ দিয়ে নিচে নেমে পড়া এক যুবক সাংসদদের বসার জন্য নির্ধারিত বেঞ্চ টপকে এগিয়ে যেতে থাকে স্পিকারের দিকে। যদিও মাঝপথেই তাকে পাকড়াও করে অন্যান্য সাংসদরা। শেষপর্যন্ত নিরাপত্তা রক্ষীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ওই যুবক ও তার সঙ্গীকে।
একদিকে যেমন এই ঘটনার পর সাকেত গোখলে প্রশ্ন তুলেছেন তেমনি প্রশ্ন তুলেছেন অন্যান্য অন্য তৃণমূল নেতারাও।
যদিও বিজেপি তৃণমূলের এই অভিযোগকে আমল দিতে রাজি নয়। রাজ্য বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, "দুটো ঘটনা সম্পূর্ণ আলাদা। একটা হল অপরাধ নিজে সংগঠিত করা আর দ্বিতীয়টি হল সাংসদের পাস দেওয়া এবং এটি খুবই সাধারণ। একজন সাংসদকে তাঁর এলাকায় প্রচুর লোককে পাস ইস্যু করতে হয়। এটা তাঁর পক্ষে কখনই জানা সম্ভব নয় কে কোথায় পাস নিয়ে কী করবে। আসলে মহুয়া মৈত্রর অপরাধ এরা কতটা খাটো করে দেখেন সেটা তাঁদের এই বক্তব্যই প্রমাণ।" বুধবারই ছিল সংসদে হামলার ২২ বছর পূর্তি। সেদিনই এই হামলার ঘটনা নয়া সংসদ ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিল।
কার্যত বুধবার দুপুরে টেলিভিশনে এই ঘটনার সম্প্রচারের পর রীতিমতো হতভম্ব হয়ে যায় গোটা দেশ। সংসদের দর্শক গ্যালারি থেকে আচমকা লাফ দিয়ে নিচে নেমে পড়া এক যুবক সাংসদদের বসার জন্য নির্ধারিত বেঞ্চ টপকে এগিয়ে যেতে থাকে স্পিকারের দিকে। যদিও মাঝপথেই তাকে পাকড়াও করে অন্যান্য সাংসদরা। শেষপর্যন্ত নিরাপত্তা রক্ষীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ওই যুবক ও তার সঙ্গীকে।
একদিকে যেমন এই ঘটনার পর সাকেত গোখলে প্রশ্ন তুলেছেন তেমনি প্রশ্ন তুলেছেন অন্যান্য অন্য তৃণমূল নেতারাও।
যদিও বিজেপি তৃণমূলের এই অভিযোগকে আমল দিতে রাজি নয়। রাজ্য বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, "দুটো ঘটনা সম্পূর্ণ আলাদা। একটা হল অপরাধ নিজে সংগঠিত করা আর দ্বিতীয়টি হল সাংসদের পাস দেওয়া এবং এটি খুবই সাধারণ। একজন সাংসদকে তাঁর এলাকায় প্রচুর লোককে পাস ইস্যু করতে হয়। এটা তাঁর পক্ষে কখনই জানা সম্ভব নয় কে কোথায় পাস নিয়ে কী করবে। আসলে মহুয়া মৈত্রর অপরাধ এরা কতটা খাটো করে দেখেন সেটা তাঁদের এই বক্তব্যই প্রমাণ।" বুধবারই ছিল সংসদে হামলার ২২ বছর পূর্তি। সেদিনই এই হামলার ঘটনা নয়া সংসদ ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিল।
















