আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতের জিম্বাবোয়ে সফরের জন্য সোমবার রাতে ঘোষিত দল ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। টি-২০ বিশ্বকাপের টুর্নামেন্টের সেরা সঞ্জু স্যামসনের নাম দলে না থাকায় বিসিসিআইয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক দু'দিন আগেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশীর জন্য দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন স্যামসন। ফলে অনেকেরই ধারণা, ভারতের টি-২০ দলে বিরাট পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বোর্ড।
একটি সর্বভারতীয় ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে, স্যামসনকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। বিসিসিআইয়ের এক সূত্র জানায়, 'নতুন ক্রিকেটারদের সুযোগ দেওয়ার এর চেয়ে ভাল সময় আর কী হতে পারে?' একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, স্যামসন এখনও নির্বাচকদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ এবং এটা শুধুই সাময়িক সিদ্ধান্ত। তিনি এশিয়ান গেমসের জন্য ভারতের দলেও রয়েছেন।
একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, বৈভব সূর্যবংশীকে প্রথম একাদশে সুযোগ করে দিতেই ম্যাঞ্চেস্টারে টি-২০ ম্যাচ থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছিলেন স্যামসন। চলতি টি-২০ সিরিজে খেলা ভারতের ব্যাটারদের মধ্যে একমাত্র স্যামসনই জিম্বাবোয়ে সফরের দলে নেই। অন্যদিকে বোলিং বিভাগে ইংল্যান্ড সিরিজে থাকা অর্শদীপ সিং, হর্ষিত রানা, অক্ষর প্যাটেল এবং রবি বিষ্ণোইকেও জিম্বাবোয়ে সফরের জন্য বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।
ভারতের প্রাক্তন অলরাউন্ডার ইরফান পাঠানের মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত সূচনার পর এবারই শুরু হচ্ছে বৈভব সূর্যবংশীর প্রকৃত পরীক্ষা। তাঁর মতে, প্রতিপক্ষ বোলাররা এখন বৈভবকে লক্ষ্য করে বিশেষ পরিকল্পনা নেবে। সেই চ্যালেঞ্জের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে তরুণ ব্যাটারকে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-২০ ম্যাচের আগে পাঠান বলেন, 'ও নিঃসন্দেহে অসাধারণ প্রতিভা। কিন্তু এখন ওকে বুঝতে হবে, প্রতিপক্ষ বোলাররা ওর বিরুদ্ধে বিশেষ পরিকল্পনা করবে এবং সেটার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।'
আগের দিন ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে বড় শট নিতে গিয়ে আউট হন বৈভব। বলের লাইন মিস করে স্ট্যাম্প আউট হন। কিন্তু সেই শটে কোনও ভুল দেখছেন না পাঠান। তিনি বলেন, 'ইংল্যান্ডের উইকেটে স্পিনারদের বিরুদ্ধে ক্রিজ ছেড়ে এগিয়ে এসে খেলাটা খারাপ সিদ্ধান্ত নয়। কারণ সেখানে বল খুব বেশি ঘোরে না। তবে শট খেলতে গেলে ভারসাম্য ঠিক রাখতে হবে এবং বল থেকে খুব বেশি দূরে চলে যাওয়া যাবে না।' দ্বিতীয় টি-২০ তে বৈভব ১০ বলে ১৪ রান করে আউট হলেও, তাঁর ইতিবাচক মানসিকতার প্রশংসা করেন পাঠান। তাঁর মতে, আক্রমণাত্মক ব্যাটিং বজায় রাখাই বৈভবের সবচেয়ে বড় শক্তি। পাঠান মনে করেন, সেটা ধরে রাখাই উচিত।















