আজকাল ওয়েবডেস্ক: দুর্ধর্ষ বিরাট কোহলি এবং শ্রেয়স আইয়ার। দু"জনের শতরানে রানের পাহাড়ে ভারত। নির্ধারিত ওভারের শেষে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ৩৯৭ রান ভারতের। বিশ্বকাপের ফাইনালে এক পা বাড়িয়ে ফেলল রোহিতরা। ক্রিকেটে আগাম ভবিষ্যদ্বাণী চলে না ঠিকই, কিন্তু হাই-ভোল্টেজ সেমিফাইনালে পাহাড়সমান রান তাড়া করে নিউজিল্যান্ডের জেতা প্রায় অসম্ভব। তাও আবার ভারতের ঘরের মাঠে, দুরন্ত ফর্মে থাকা পেস ত্রয়ীর বিরুদ্ধে। আবার রান পেল ভারতের টপ ফাইভ। কিউয়ি বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করলেন কোহলি, শ্রেয়স, গিলরা। সেমিফাইনাল মনে করিয়ে দিল নেদারল্যান্ডস ম্যাচকে। বোল্ট, ফার্গুসন, স্যান্টনারদের পাড়ার বোলারদের স্তরে নামিয়ে আনল ভারতীয় ব্যাটাররা।
রোহিত, বিরাটের জন্য মঞ্চ সাজানো ছিল। প্রথমজনের ঘরের মাঠ, দ্বিতীয়জনের একশোর অর্ধশতরান। কিন্তু প্রথমে সেই মঞ্চ ভাগ করে নিলেন শুভমন গিল। পরে তাতে থাবা বসান শ্রেয়স আইয়ার। শুরুতে একটু সময় নিলেন। কিন্তু চালু হতেই সাবলীল ব্যাটিং গিলের। ওয়াংখেড়ের মাঠ ছোট। কয়েকদিন আগেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেন ম্যাক্সওয়েল। তাই টসে জিতে ব্যাটিং নিতে দ্বিধা করেননি রোহিত শর্মা। বিপক্ষের ওপর বড় রানের বোঝা চাপিয়ে দেওয়াই লক্ষ্য ছিল। সেই টার্গেটে সফল ভারত। শুরুটা করেন রোহিত। যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, ঝড়ের গতিতে রান তোলেন। চারটি চার এবং ছয়ের সাহায্যে ২৯ বলে ৪৭ রান করেন। ভাগ্য খারাপ শুভমনের। দুর্দান্ত ব্যাট করতে করতেই পায়ের পেশিতে চোট পেয়ে ৬৫ বলে ৭৯ রান করে মাঠ ছাড়েন। যদিও শেষে আবার নামেন। শুভমন ফেরার পর বাকি দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন বিরাট কোহলি এবং শ্রেয়স আইয়ার। শচীনের জন্মভূমিতে ক্রিকেটের ঈশ্বরকে ছাপিয়ে যান কোহলি। ১০৬ বলে ৫০তম শতরান সম্পূর্ণ করেন। ইনিংসে ছিল ১টি ছয়, ৮টি চার। তবে চেনা ছন্দে পাওয়া যায়নি। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের মতো এদিনও শিট অ্যাঙ্করের ভূমিকা পালন করেন বিরাট। কিন্তু অন্যপ্রান্তে রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন শ্রেয়স।
ঘরের মাঠে ছয়ের বন্যা বইয়ে দেন। উইকেটের সবদিকে ছক্কা হাঁকান ঘরের ছেলে। রোহিত, কোহলিকে নিয়ে মেতে থাকতে গিয়ে শ্রেয়সকে ভুলে গিয়েছিল মুম্বই। এদিন আরও একবার নিজের উপস্থিতির জানান দেন মুম্বইকর। বিরাট ইতিহাস ছুঁলেও এদিন ম্যাচের আসল নায়ক শ্রেয়স। ৬৭ বলে একশো করেন। বিধ্বংসী ইনিংসে ছিল ৮টি ছয়, ৩টি চার। ১১৩ বলে ১১৭ রান করে আউট হন কোহলি। ৮টি ছয়, ৪টি চারের সাহায্যে ৭০ বলে ১০৫ রানে ফেরেন শ্রেয়স। শেষদিকে মারকুটে মেজাজে পাওয়া যায় কেএল রাহুলকেও। গুরুত্বপূর্ণ ৩৯ রান যোগ করেন।
রোহিত, বিরাটের জন্য মঞ্চ সাজানো ছিল। প্রথমজনের ঘরের মাঠ, দ্বিতীয়জনের একশোর অর্ধশতরান। কিন্তু প্রথমে সেই মঞ্চ ভাগ করে নিলেন শুভমন গিল। পরে তাতে থাবা বসান শ্রেয়স আইয়ার। শুরুতে একটু সময় নিলেন। কিন্তু চালু হতেই সাবলীল ব্যাটিং গিলের। ওয়াংখেড়ের মাঠ ছোট। কয়েকদিন আগেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেন ম্যাক্সওয়েল। তাই টসে জিতে ব্যাটিং নিতে দ্বিধা করেননি রোহিত শর্মা। বিপক্ষের ওপর বড় রানের বোঝা চাপিয়ে দেওয়াই লক্ষ্য ছিল। সেই টার্গেটে সফল ভারত। শুরুটা করেন রোহিত। যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, ঝড়ের গতিতে রান তোলেন। চারটি চার এবং ছয়ের সাহায্যে ২৯ বলে ৪৭ রান করেন। ভাগ্য খারাপ শুভমনের। দুর্দান্ত ব্যাট করতে করতেই পায়ের পেশিতে চোট পেয়ে ৬৫ বলে ৭৯ রান করে মাঠ ছাড়েন। যদিও শেষে আবার নামেন। শুভমন ফেরার পর বাকি দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন বিরাট কোহলি এবং শ্রেয়স আইয়ার। শচীনের জন্মভূমিতে ক্রিকেটের ঈশ্বরকে ছাপিয়ে যান কোহলি। ১০৬ বলে ৫০তম শতরান সম্পূর্ণ করেন। ইনিংসে ছিল ১টি ছয়, ৮টি চার। তবে চেনা ছন্দে পাওয়া যায়নি। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের মতো এদিনও শিট অ্যাঙ্করের ভূমিকা পালন করেন বিরাট। কিন্তু অন্যপ্রান্তে রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন শ্রেয়স।
ঘরের মাঠে ছয়ের বন্যা বইয়ে দেন। উইকেটের সবদিকে ছক্কা হাঁকান ঘরের ছেলে। রোহিত, কোহলিকে নিয়ে মেতে থাকতে গিয়ে শ্রেয়সকে ভুলে গিয়েছিল মুম্বই। এদিন আরও একবার নিজের উপস্থিতির জানান দেন মুম্বইকর। বিরাট ইতিহাস ছুঁলেও এদিন ম্যাচের আসল নায়ক শ্রেয়স। ৬৭ বলে একশো করেন। বিধ্বংসী ইনিংসে ছিল ৮টি ছয়, ৩টি চার। ১১৩ বলে ১১৭ রান করে আউট হন কোহলি। ৮টি ছয়, ৪টি চারের সাহায্যে ৭০ বলে ১০৫ রানে ফেরেন শ্রেয়স। শেষদিকে মারকুটে মেজাজে পাওয়া যায় কেএল রাহুলকেও। গুরুত্বপূর্ণ ৩৯ রান যোগ করেন।
















