আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ একটা দুটো নয়। দশ দশটা। ছয় মারল বৈভব সূর্যবংশী। দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব–১৯ দলের বিরুদ্ধে যুব একদিনের ম্যাচে। ভারতের অনূর্ধ্ব–১৯ দলের অধিনায়কের ব্যাট থেকে এল ৬৮ রানের ইনিংস। বেনোনির ২২ গজে বৈভবের ব্যাট থেকে এল ১০টি ছক্কা এবং ১টি চার।


এই ইনিংসের দৌলতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে যুব ওয়ানডেতে বৈভব ভাঙল দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির রেকর্ড। যে নজির আগে ছিল ঋষভ পন্থের নামে।


মাত্র ১৫ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছে বৈভব। এর আগে ২০১৬ সালে ঋষভ পন্থ নেপালের বিরুদ্ধে ১৮ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। যুব ক্রিকেটে এতদিন সেটাই ছিল দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি। যেটা সোমবার ভেঙে দিলেন বৈভব। শেষ পর্যন্ত ২৪ বলে ৬৮ রান করে আউট হয় বৈভব। যার মধ্যে ছিল ১০টি ছক্কা ও একটি চার। স্ট্রাইক রেট ২৮৩.৩৩। অর্থাৎ শুধু বাউন্ডারি থেকেই বৈভব করেছে ৬৪ রান।


জয়ের জন্য ২৪৬ রানের লক্ষ্যে অ্যারন জর্জকে নিয়ে ব্যাট করতে নামেন বৈভব। অ্যারন ১৯ বলে ২০ রান করে আউট হয়ে গেলেও নিজের লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন বৈভব। ভারতের ইনিংসের ১১ ওভারের পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ থাকে। তার মধ্যেই ১ উইকেটে ১১৪ রান তুলে নেয় ভারতীয় দল। খেলা বন্ধ থাকার সময় ২২ গজে ছিলেন বেদান্ত ত্রিবেদী (১০) এবং অভিজ্ঞান কুন্ডু (১১)।


আয়ুষ মাত্রে না থাকায় অনূর্ধ্ব–১৯ দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ১৪ বছরের বৈভব। প্রথম ওয়ানডেতে ভারত জিতলেও উইকেট পায়নি নিয়মিত বোলার হেনিন প্যাটেল। তাই এই ম্যাচে হেনিলকে খেলানো হয়নি। বরং বৈভবের নেতৃত্বে কিছুটা চমক দিয়ে খেলানো হয় কিষান সিংকে। মাত্র ৪৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন ১৯ বছর বয়সি বোলার। ৪ উইকেট নেয় দীপেশ দেবেন্দ্রন। মূলত দু’জনের দাপটে ২৪৫ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস।


এরপর শুরু হয় বৈভবের তাণ্ডব। এই ম্যাচে বারবার বাধা সৃষ্টি করেছে আবহাওয়া। বজ্রপাতের জন্য একাধিকবার ম্যাচ বন্ধ করে দিতে হয়েছে। যে কারণে ভারতের লক্ষ্য কমিয়ে দেওয়া হয়। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম ওয়ানডেতে ভারত ডিএলএস পদ্ধতিতে ২৫ রানে জেতে। 

এটা ঘটনা এই ১৪ বছর বয়সেই সাড়া জাগিয়েছে বৈভব। আইপিএলেও শতরান করেছে সে। এবার তো অধিনায়কও হয়ে গেল।