আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মুস্তাফিজুর রহমান বিতর্কের জন্য টি–২০ বিশ্বকাপের জট এখনও কাটেনি। ভারতে খেলতে যাবে না বাংলাদেশ। এই গোঁ ধরেই রেখেছে। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তাকে ইস্যু করে ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে নারাজ বাংলাদেশ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার ২২ গজে মুখোমুখি হচ্ছে দু’দেশ। শনিবার অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপে গ্রুপের ম্যাচে আয়ুষ মাত্রের দলের মুখোমুখি হবে আজিজুল হাকিম তামিমের দল। মুস্তাফিজুর রহমান কাণ্ডের পর এই প্রথম ২২ গজে মুখোমুখি হবে দু’দল।


অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আমেরিকাকে হারিয়েছে ভারত। যদিও সেই ম্যাচে প্রত্যাশিত খেলা খেলতে পারেনি ছোটদের ব্রিগেড। রান পায়নি বৈভব সূর্যবংশী, আয়ূষ মাত্রেরা।


শুরুটা ভাল না হওয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে সতর্ক ভারতীয় শিবির। ছোটদের বিশ্বকাপে গত বারের ফাইনালিস্টরা হালকা ভাবে নিচ্ছে না ২০২০ সালের চ্যাম্পিয়নদের। ক্রিকেটে বাংলাদেশের এক মাত্র ট্রফি জয় অনূর্ধ্ব–১৯ দলের হাত ধরেই। ছোটদের ক্রিকেটে বাংলাদেশ যথেষ্ট শক্তিশালী। ফারিদ হাসান, জাওয়াদ আবরার, কামাল সিদ্দিকি, শেখ পারভেজ জীবনের মতো প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা রয়েছে দলে। তাছাড়া, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ শনিবার প্রথম খেলবে। তরতাজা হয়ে নামবে তামিমের দল। 


এই ম্যাচের দিকে আরও একটি কারণে তাকিয়ে রয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুরকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) বাদ দেওয়ার পর দু’দেশের ক্রিকেট সম্পর্কে শিথিলতা এসেছে। পরিস্থিতির প্রভাব মাঠে পড়তে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশ। ভারত–পাকিস্তান সম্পর্কের আঁচ গত এশিয়া কাপ থেকে পড়েছে মাঠেও। ভারতীয় ক্রিকেটাররা পাক খেলোয়াড়দের এড়িয়ে চলছেন। তাই পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের আচরণের দিকেও নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

এদিকে, টি–২০ বিশ্বকাপের আগে নিরাপত্তা নিয়ে ওঠা উদ্বেগের মধ্যেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য কলকাতাকে নিরাপদ ভেন্যু হিসেবে সমর্থন জানালেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ও পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়া দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি।


আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে চলা টি–২০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তিওয়ারি বলেন, বিসিসিআই যেন ভেন্যু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত না নেয়।

মনোজ তিওয়ারি বলেছেন, ‘‌আন্তর্জাতিক স্তরের বড় ইভেন্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে কলকাতার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। এখানে কখনও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ খেলাধুলাকে প্রভাবিত করেনি।’‌