আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাত পোহালেই ঘটি-বাঙালের চিরন্তন লড়াই। ইলিশ-চিংড়ির যুদ্ধ। কলকাতা লিগের শতবর্ষের ডার্বি। মরশুমের প্রথম। কিন্তু এই কথাগুলোর সঙ্গে শুক্রবারের চিত্রের কোনও মিল নেই। বাঙালি কি ডার্বি বয়কট করল? শুনতে ভাল না লাগলেও, দীর্ঘদিন পর এমন চিত্র দেখা গেল। ডার্বি মানেই দুই ক্লাবের বাইরে লম্বা লাইন। যুবভারতীর বক্স অফিসের বাইরে ভিড়। গত কয়েক বছর এমন ছবি দেখতেই আমরা অভ্যস্ত। কিন্তু শুক্র দুপুরে বা বিকেলে ডার্বি নিয়ে উচ্ছ্বাস, উদ্দীপনা চোখে পড়ল না। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর কলকাতা লিগের ডার্বিতে মুখোমুখি দুই প্রধান। টিকিটের হাহাকার থাকাটাই স্বাভাবিক। যা সাধারণত থাকে। বিশেষ করে গতবছর ডুরান্ড কাপে মরশুমে প্রথমবার ইস্ট-মোহন মুখোমুখি হয়েছিল। টিকিটের চাহিদা সামলাতে হিমশিম খায় ডুরান্ড কমিটি। কিন্তু এবার সেই উন্মাদনা উধাও।

এবার অফলাইনে টিকিট বিক্রি হয়নি। দুই প্রধানের সমর্থকদের জন্য ক্লাবে কিছু সংখ্যক টিকিট পাঠিয়ে দেয় আইএফএ। বাকিটা অনলাইনে বিক্রি হয়। আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত মাঠ ভরার বিষয়ে আশাবাদী। কিন্তু আগের দিনের ছবি হতাশজনক। যুবভারতীর বক্স অফিসে অনলাইন সেলে টিকিট রিডিম করার কাউন্টারে ভিড় নেই। টিকিট কাউন্টার ফাঁকা। উপচে পড়া ভিড় দূর অস্ত, মাঝে মধ্যে একজন-দু'জন করে এসে টিকিট নিয়ে যায়। বাকি সময় বক্স অফিস পুরো ফাঁকা। ডার্বির আগের দিন এই চিত্র দেখতে যে আমরা একেবারেই অভ্যস্ত নই। তবে ক্লাব প্রাঙ্গণে সমর্থকদের কিছুটা উৎসাহ ছিল। যদিও সেটা অন্যান্যবারের তুলনায় কম। এত বছর পর কলকাতা লিগে দুই প্রধান মুখোমুখি। কিন্তু সেই উন্মাদনা একেবারেই নেই। হয়তো অফলাইনে টিকিট বিক্রি না হওয়া এর অন্যতম কারণ।‌ শনিবাসরীয় যুবভারতী ভরবে কিনা এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।