আজকাল ওয়েবডেস্ক: রবিবাসরীয় রাতে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। শুধু দলগত নয়, কয়েকটি ব্যক্তিগত রেকর্ডও করে ভারতীয় ক্রিকেটাররা। আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে রেকর্ড রান। ফাইনালে সর্বোচ্চ রানের নজির ভারতের। রবিবার আহমেদাবাদে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ২৫৫ রান করে। টি-২০ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান ৬ উইকেটে ২৬০ রান। ২০০৭ বিশ্বকাপে জোহানেসবার্গে কেনিয়ার বিরুদ্ধে করেছিল শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় স্থানে চলতি বিশ্বকাপে ভারত-জিম্বাবোয়ে ম্যাচ। ৪ উইকেটের বিনিময়ে ২৫৬ রান করে টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু দুটো ম্যাচই বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। ফাইনালে পাহাড়প্রমাণ রান এর আগে কোনও দল করতে পারেনি। টি-২০ ফাইনালের ইতিহাসে এদিনের রানই সর্বোচ্চ। তারমধ্যে এবার মোট তিনবার আড়াইশো রানের গণ্ডি পার করে ভারত। জিম্বাবোয়ে ম্যাচ ছাড়াও ওয়াংখেড়েতে সেমিফাইনালে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ২৫৩ রান তোলে টিম ইন্ডিয়া। 

টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ কত রান তাড়া করেছে জিতেছে পরে ব্যাট করা দল? দশ বছরে আগে এই রেকর্ড ছিল ইংল্যান্ডের। ২০১৬ সালে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২৩০ রান তাড়া করে জেতে। টি-২০ ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি আড়াইশোর বেশি রান ভারতের। মোট সাতবার ২৫০ রানের গণ্ডি পার করে টিম ইন্ডিয়া। ছাপিয়ে যায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলকে। দ্বিতীয় দল হিসেবে একটি টুর্নামেন্টে তিনবার আড়াইশো রানের গণ্ডি পেরোয় ভারত। ২০২৪ আইপিএলে এই নজির ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। 

শুধুমাত্র দলীয় রেকর্ড নয়, নয়া নজির গড়েন সঞ্জু স্যামসন। টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে কোনও শতরান নেই। সঞ্জু স্যামসনের ৮৯ রানই সর্বোচ্চ। এর আগে ৮৫ রান ছিল মার্লন স্যামুয়েলসের। ২০১৬ বিশ্বকাপে করেছিলেন। ২০২১ বিশ্বকাপে ৮৫ রান করেন কেন উইলিয়ামসন। এবার সেটাকে ছাপিয়ে যান সঞ্জু। বিশ্বকাপের শুরুতে দলে জায়গা পাননি। অভিষেকের পেটের সংক্রমণের জন্য নামিবিয়া ম্যাচে সুযোগ পান। তারপর আবার বাদ। জিম্বাবোয়ে ম্যাচ থেকে দলে ফেরেন। শেষ তিন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং। তিন ম্যাচেই একটুর জন্য শতরান হাতছাড়া করেন সঞ্জু।