আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বকাপ ফাইনালে ড্যারিল মিচেল ও অর্শদীপ সিংয়ের মধ্যে ঝামেলা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা চলছিল।
একপেশে বিশ্বকাপ ফাইনালে মশলা বলতে ছিল অর্শদীপ ও ড্যারিল মিচেলের সেই ঝামেলা।
এগারো-তম ওভারে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস চলাকালীন অর্শদীপ বল ছুড়ে মারেন মিচেলের দিকে। অর্শদীপের ছোড়া বল আঘাত করে মিচেলের শরীরে। উইকেটে ছুড়ে মারতে গিয়ে বল লাগে মিচেলের শরীরে। তাতেই চটে যান নিউজিল্যান্ড তারকা।
পরে অর্শদীপ ও ড্যারিল মিচেলকে কথা বলতে দেখা গিয়েছে। দু'জনে সৌজন্য বিনিময় করেন।
কিন্তু মিচেলকে কেন বল ছুড়তে গেলেন অর্শদীপ? ভারতের তারকা বাঁ হাতি পেসার বলেন, ''মিচেলকে সরি বলতে গিয়েছিলাম। আমার থ্রো বেশি রিভার্স সুইং করেছিল। আমি ওকে বলছিলাম, আমি ইচ্ছাকৃতভাবে ওকে বল মারিনি। আমার থ্রো অতোটা রিভার্স সুইং করবে ভাবিনি।''
অর্শদীপকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''এই দলটা দুর্দান্ত। এই দলে প্রচুর ম্যাচ উইনার রয়েছে। শুরু থেকেই আমাদের মধ্যে বিশ্বাস ছিল যে আমরা পারব।''
বিশ্বজয়ের অনুভূতি কেমন? অর্শদীপ বলেন, ''এখন আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয় অনুভূতি কেমন। এখন ভালই লাগছে। কিন্তু আবেগটা যখন চলে যাবে তখন বুঝতে পারব।''
বিশ্বকাপ ফাইনাল হয় একপেশে। ভারতের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি নিউজিল্যান্ড। সূর্যাস্তের মাঠেই সূর্যোদয় হয় শেষমেশ। যে মাঠে একদিন স্বপ্ন ভেঙেছিল, যে মাঠ একদিন ছিল বেদনার, রবি-রাতে সেই মাঠই হয়ে উঠল প্রায়শ্চিত্তের পবিত্র ভূমি। হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন যেন ফিরে এল করতালির শব্দে। বিশালাকায় নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম তিন বছর আগে হৃদয় ভাঙার সাক্ষী ছিল। দেশের স্পন্দন থামিয়ে দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।
একই মাঠ, একই গ্যালারি, একই বাতাস—তবু গল্পটা এবার অন্য। আহমেদাবাদেই সূর্যোদয় হল। নিউজিল্যান্ডকে মাটি ধরিয়ে টানা দু'বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নিল ভারত।
২০২৬-এ এসে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হল। একই সঙ্গে ইতিহাসকেও পরাস্ত করল ভারত। কোনও দেশ এখনও পর্যন্ত তিনবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। কোনও দলই বিশ্বকাপ ডিফেন্ড করতে পারেনি। কোনও আয়োজক দেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘরে তুলতে পারেনি। একই সঙ্গে তিনটি রেকর্ড ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল সূর্যর ভারত।
