আজকাল ওয়েবডেস্ক: সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে লজ্জাজনক ভাবে হার মেনেছে ভারত। তার পরে সূর্যকুমার যাদবের দলের সেমিফাইনালে পৌঁছনো নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে আশঙ্কা। 

আজ বৃহস্পতিবার চিপকে ভারতের মুখোমুখি জিম্বাবোয়ে। গৌতম গম্ভীরের দলের কাছে এই ম্যাচ মরণবাঁচনের। 

সেই ম্যাচের বল গড়ানোর আগে তিরাশির বিশ্বজয়ী দলের সদস্য কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত বলছেন, ''সবাইকে উত্তর দেওয়ার একটাই অস্ত্র। আর তা হল, পারফরম্যান্স। সেমিফাইনালে ওঠো এবং ট্রফি জিতে সবার মুখ বন্ধ করে দাও। এটা যদি করতে পারো, তাহলে সবার মুখ বন্ধ হয়ে যাবে। যারা সমালোচনা করেছে, তারাই একই ভারতীয় দলের প্রশংসা করবে। প্রশংসা করবে সূর্যকুমার যাদব বা অভিষেক শর্মাকে।'' 

এটাই যে নিয়ম। ভাল খেললে কোনও সমালোচনা হয় না। কিন্তু পদস্খলন হলেই শুরু হয়ে যায় নিন্দা-সমালোচনা। 

শ্রীকান্ত বলছেন, ''এই পৃথিবীটা এরকমই।  সব ঠিকঠাক গেলে সবাই উচ্ছ্বসিত ভাবে প্রশংসা করবে। কিন্তু পা হড়কালে বা ব্যর্থ হলেই ধেয়ে আসে সমালোচনা। ভারতীয় দল ব্যর্থ হতেই পারে। হতে পারে ভুল-ভ্রান্তি। কিন্তু যেটা ব্যাপার তা হল, সমালোচনা হলে কেঁপে গেলে চলবে না। সমালোচনাকে মেনে নিতে হবে।'' 

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচে প্রথম একাদশে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। অক্ষর প্যাটেলের পরিবর্তে ওয়াশিংটন সুন্দরকে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল প্রথম একাদশে। ম্যাচে ওয়াশিংটন সুন্দর ব্যর্থ হন। ধেয়ে আসে সমালোচনা। শ্রীকান্ত ব্যাখ্যা করে বলেন, ভারত খারাপ খেলায় সমালোচনা হয়েছিল। দল নির্বাচনও ঠিকঠাক না হওয়ায় নিন্দার ঝড় উঠেছিল। 

শ্রীকান্ত বলছেন, ''কোনও খেলোয়াড় আউট হলে বা কোনও দল ম্যাচ হারলে তার জন্য কেউ সমালোচনা করে না। কীভাবে ম্যাচ হারছে এবং কেন ম্যাচ হারছে, তার জন্যই লোকে সমালোচনা করে। প্রথম একাদশে সুযোগ না পাওয়ায় অক্ষর প্যাটেলের উপরে কঠোর আচরণ করা হয়েছিল। কিন্তু ওয়াশিংটন সুন্দরের উপরে কেউ রাগ করেনি। কারণ একদিন খারাপ সবারই হতে পারে।''