আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতের হেডস্যর গৌতম গম্ভীর অনন্য এক মাইলস্টোন ছুয়েছেন। ক্রিকেটার ও কোচ হিসেবে বিশ্বজয়ী তিনি। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-জয়ী দলের সদস্য গম্ভীর। 

২০১১ বিশ্বকাপেও গম্ভীরের ব্যাট থেকে আসে ৯৭ রান। এবার বিশ্বজয়ী কোচ তিনি। গৌতম গম্ভীর তাঁর এই জয় উৎসর্গ করলেন দু'জনকে। কে এই দু'জন? তাঁরা হলেন রাহুল দ্রাবিড় ও ভিভিএস লক্ষ্মণ। 

ভারতের হেডস্য়র বলছেন, ''রাহুল দ্রাবিড় ও ভিভিএস লক্ষ্ণণকে এই বিশ্বকাপ উৎসর্গ করছি। রাহুল ভাই ভারতীয় দলকে ঠিক জায়গায় পৌঁছে দিয়েছেন। সেন্টার অফ এক্সলেন্সে  ভবিষ্যতের খেলোয়াড় তৈরি করছে লক্ষ্ণণ।'' 

আলাদা করে বিসিসিআই-এর নির্বাচকমণ্ডলীর প্রধান অজিত আগরকর ও জয় শাহকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁর পাশে থাকার জন্য। গম্ভীর বলেছেন, ''অজিত আগরকর সততা নিয়ে কাজ করেছে। জয় শাহ আমার পাশে ছিলেন। নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে যাওয়ার পরে আমাকে ফোন করেছিলেন জয় ভাই।'' 

ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে ভারতের রিমোট কন্ট্রোল হাতে তুলে নিয়েছিলেন গৌতম গম্ভীর। 

কোচ হয়ে আসার পরই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিলেন তিনি। গোটা টুর্নামেন্টে অপরাজিত থাকার পরে ভারত নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। প্রায় এক যুগের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির খরা কাটিয়েছিল ভারতীয় দল। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে গম্ভীরের ভারত ধরাছোঁয়ার বাইরের এক কক্ষপথে পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু টেস্ট ফরম্যাট বা পঞ্চাশ ওভারের ফরম্যাটে গম্ভীরের দল নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তাঁর সময়ে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির মতো মহাতারকারা টেস্ট ফরম্যাট থেকে সরে গিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ চলাকালীন রবিচন্দ্রন অশ্বিন অবসর গ্রহণ করেন। ভারতীয় ক্রিকেটে গম্ভীর-জমানা বিতর্কিত-অধ্যায়। বিতর্ক-সমালোচনার ছাই থেকে নতুন এক ফিনিক্স জন্ম নিল। সেই ফিনিক্সের নাম গৌতম গম্ভীর।