আজকাল ওয়েবডেস্ক: পাকিস্তানকে ৬১ রানে দুরমুশ করে ভারত পৌঁছে গেল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে। 

মেগা টুর্নামেন্ট খেলতে আসা দলগুলোকে ভারত দেখিয়ে দিল তারা কেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিয়ে সূর্যকুমার যাদবের বার্তা, এটা ভারতের জন্য। 

সূর্য বলছেন, ''আমরা যে ধরনের ক্রিকেট খেলতে চেয়েছিলাম, সেই ক্রিকেটই তুলে ধরেছি। এই উইকেটে প্রথমে ব্যাটিং নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত। ঈশান ব্যতিক্রমী অন্য কিছু ভেবে রেখেছিল। শূন্য রানে এক উইকেট যাওয়ার পর কোনও একজনকে দায়িত্ব নিতেই হতো। তার পরে যেভাবে ও ব্যাটিং করে গিয়েছে, তা দুর্দান্ত।'' 

ঈশান কিষান ৪০ বলে ৭৭ রান করেন। ঝড় হয়ে ধরা দেন তিনি। তিলক ভার্মা (২৫) ও সূর্যকুমার যাদবও (৩২) ভারতকে পৌঁছে দেন ৭ উইকেটে ১৭৫ রানে। 

আর ভারত বল করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট তুলতে থাকে। পাকিস্তানের ব্যাটাররা দাঁড়াতেই পারেননি। মাত্র চার পাক ব্যাটার দুই অঙ্কের রানে পৌঁছন। বাকিরা এলেন আর গেলেন। পাকিস্তানের ইনিংস থেমে গেল ১১৪ রানে। তাও আবার ১৮ ওভারে। পুরোদস্তুর ২০ ওভার ব্যাটই করতে পারল না পাকিস্তান। যত সময় এগোচ্ছে, ততই ভারতের সঙ্গে ব্যবধান বাড়ছে পাকিস্তানের। 

এই পাকিস্তান যতটা গর্জায়, ততটা বর্যায় না। এই পাকিস্তান ক্রিকেট নিয়ে রাজনীতি করে কিন্তু মাঠে নেমে ক্রিকেট খেলতে পারে না। 

এই পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে নামলেই গুটিয়ে থাকে ভয়ে। আর নিয়ম করে ম্যাচ হারে। 

কলম্বোতেও এর ব্যতিক্রম নয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ রান তুলল ভারত। আর সেই রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান থেমে গেল ১১৪ রানে। ভারত-পাক ম্যাচে নেই আগের মতো বারুদ। এখন একপেশে ম্যাচ হয়। দিনের শেষে ভারতের জয় হয় দস্তুর। এবার নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের দ্বৈরথের ফলাফল ৮-১। 

ঈশান কিষান ব্যাট হাতে শুরু থেকে ঝড় তুললেন। সেই ঝড়ে একপ্রকার উড়েই গিয়েছিল পাকিস্তান। বাকি কাজ করলেন ভারতের বোলাররা। হার্দিক, বুমরাহ, অক্ষর, বরুণের দাপটে পাকিস্তান ১৮ ওভারেই শেষ হয়ে গেল। ৬১ রানে ম্যাচ জিতে নিল ভারত।