আজকাল ওয়েবডেস্ক: আহমেদাবাদে থামল ভারতের অশ্বমেধের ঘোড়া। ৭৬ রানে লজ্জার হার মানতে হল গতবারের চ্যাম্পিয়নদের। লজ্জার হারে ভারতের রান রেট এখন -৩.৮। এই রান রেট কিন্তু সূর্যকুমার যাদবদের শেষ চারে ওঠার পথ কঠিন করে তুলতে পারে। সুপার এইটের আটটি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। 

চারটি দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়া দু'টি দল শেষ চারের ছাড়পত্র জোগাড় করবে। একাধিক দলের পয়েন্ট সমান হলে, যে দল বেশি ম্যাচ জিতেছে, তারাই উপরে থাকবে। 

পয়েন্ট আর জয় যদি সমান সমান হয়, তাহলে বিচার্য হবে নেট রানরেট। নেট রান রেটও যদি সমান হয়, তখন মুখোমুখি সাক্ষাতের ফলাফল বিচার্য হবে। 

এত কিছুর পরেও যদি দলগুলোর মধ্যে পার্থক্য না থাকে, সেক্ষেত্রে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিং দিয়ে স্থির হবে কারা শেষ চারে যাবে। 

সুপার এইটের শুরুটা ভাল করেনি ভারত। প্রথম ম্যাচেই পদস্খলন হয়েছে। বাকি দুটি ম্যাচ জিতলে ভারত সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট অর্জন করবে। জিম্বাবোয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের দু'টি ম্যাচ বাকি। এই দু'টি ম্যাচের মধ্যে যে কোনও একটিতে হেরে গেলেই টিম ইন্ডিয়ার সেমিফাইনালে পৌঁছনো একপ্রকার অসম্ভব হয়ে যাবে। সেই ক্ষেত্রে পারমুটেশন-কম্বিনেশনের উপরে নির্ভর করে থাকবে ভারতের সেমিফাইনাল ভাগ্য। 

বাকি দু'টি ম্যাচ সূর্যকুমার যাদবরা জিতলেও কিন্তু তাঁদের জন্য সেমিফাইনালের দরজা খুলবে না। জেতার পাশাপাশি নেট রান রেটও ভাল করতে হবে। অর্থাৎ ভারতকে জেতার পাশাপাশি নেট রান রেটও ভাল করতে হবে। 

সূর্যদের শেষ চারের রাস্তা প্রশস্ত করতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা। জিম্বাবোয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় ব্যবধানে প্রোটিয়ারা হারালে ভারতের সুবিধাই হবে। তিনটি ম্যাচ জিতলে দক্ষিণ আফ্রিকার পয়েন্ট হবে ৬। সেক্ষেত্রে মার্করামরা পেয়ে যাবেন শেষ চারের টিকিট। আর হারের সঙ্গে নেট রান রেটেও ধাক্কা খাবে জিম্বাবোয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারতকে যেটা করতে হবে তা হল বাকি দুটি ম্যাচ জিততেই হবে। দুটি জয়ের মধ্যে একটি অন্তত বড় ব্যবধানে জিততে হবে। যাতে নেট রান রেট ভাল হয়। কিন্তু ভারত যদি একটি ম্যাচ হেরে যায় তাহলে তাদের জন্য শেষ চারের দরজা প্রায় বন্ধ হয়ে যাবে।