আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইউ টার্ন নিতে শুরু করল পাকিস্তান। পাক সরকার কিছুদিন আগেই জানিয়ে দিয়েছিল টি–২০ বিশ্বকাপ খেললেও ভারত ম্যাচ তারা বয়কট করছে। এবার শোনা যাচ্ছে, ভারত ম্যাচ খেলার বিষয়ে পাক ক্রিকেট বোর্ড ফের সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে চলেছে। সূত্রের খবর এমনই।
যদিও ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে না নামার কথা জানিয়ে কোনও সরকারি বিবৃতি এখনও জারি করেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। ১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করেছিল, তারা বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে না। যদিও এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত আইসিসি’কে লিখিতভাবে তারা কিছু জানায়নি। তবে পাকিস্তান সত্যিই যদি ভারতের বিরুদ্ধে না খেলে, তাহলে বিরাট আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে শ্রীলঙ্কা। এই পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড পিসিবি’কে কড়া চিঠিও লিখেছে। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের তরফে বলা হয়েছে, আইসিসি ও বিশ্বকাপের মর্যাদার কথা ভেবে পাকিস্তানের বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত ও ভারত ম্যাচ খেলা উচিত।
এরপরেই ইউ টার্ন নিতে শুরু করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।
প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপে পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচই খেলবে শ্রীলঙ্কায়। ম্যাচগুলি হবে কলম্বো ও পাল্লেকেলেতে। এই পরিস্থিতিতে পাক ক্রিকেট বোর্ডকে উদ্ধৃত করে এক সূত্র জানিয়েছে, ‘বরাবরই শ্রীলঙ্কা সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে এসেছে পাকিস্তান সরকার। দু’দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কও দারুণ। তাই শ্রীলঙ্কা বোর্ডের তরফে আসা মেলকে মোটেই হালকাভাবে নেওয়া হচ্ছে না।’
ওই সূত্রে আরও বলা হয়েছে, ‘পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছিলেন শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সাম্মি সিলভা। বলা হয়েছে, ভারত–পাক ম্যাচ না হলে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে।’ ওই সূত্রে দাবি করা হয়েছে, নকভি নাকি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডকে আশ্বস্ত করেছেন যে সরকারের সঙ্গে গোটা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন। সূত্রের আরও দাবি, এই বিষয়ে সোমবারের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন নকভি।
এটা ঘটনা, গত নভেম্বরে শ্রীলঙ্কা দল গিয়েছিল পাক সফরে। কিন্তু কয়েকজন ক্রিকেটার নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে দেশে ফিরে আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শ্রীলঙ্কা বোর্ড তখন পাক ক্রিকেট বোর্ডের পাশে ছিল। এবং জানানো হয়েছিল দেশে ফেরা যাবে না। পাকিস্তানে খেলতে হবে। সেই প্রসঙ্গই নাকি মেলে তুলে ধরা হয়েছে।
