আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার এইটে অদ্ভুত পরিস্থিতি। গ্রুপ পর্বের সব একনম্বর দল একই গ্রুপে পড়েছে। এই তালিকায় রয়েছে ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং জিম্বাবোয়ে। অন্য গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করা দলগুলো রয়েছে। অর্থাৎ, সেমিফাইনালের আগেই বিশ্বকাপের সেরা দুটো দল টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেবে। বরং, যে দলগুলো দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছে, তাঁদেরই শেষ চারে যাওয়ার পথ মসৃণ। সাধারণত গ্রুপের একনম্বর দল সাহায্য পায়। কিন্তু এবার সুপার এইটের গ্রুপে কোনও ভারসাম্য নেই। তারওপর ভারতে কোনও ম্যাচ খেলবে না পাকিস্তান। যা পরিস্থিতি আরও কঠিন করেছে। অনেকেই দাবি করছে, ভারতকে সাহায্য করার জন্য এমন সূচি করা হয়েছে। কিন্তু তাতে একমত নন আকাশ চোপড়া।
২০১২ টি-২০ বিশ্বকাপের উদাহরণ দেন প্রাক্তন ক্রিকেটার। সেবারও গ্রুপের সেরা দলগুলো সুপার এইটে একই গ্রুপে ছিল। আকাশ চোপড়া বলেন, 'সবাই বলছে এটা কীভাবে সম্ভব। গ্রুপে একনম্বরে শেষ করার কোনও সুবিধা নেই। তবে আমাদের বুঝতে হবে, এটা প্রথমবার হচ্ছে না। এটা ২০০৭, ২০০৯, ২০১০ এবং ২০১২ সালে হয়েছিল। ২০১২ সালে একই চিত্র ছিল। গ্রুপের সেরা দলগুলো সুপার এইটে একই গ্রুপে ছিল। বিশ্বকাপ এবার দুটো দেশে হচ্ছে। ভারত নিজেদের দেশে খেলছে। পাকিস্তান খেলছে শ্রীলঙ্কায়। তাই শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তানকে একই গ্রুপে রাখা বাধ্যতামূলক। ভারতকে অন্য গ্রুপে রাখতেই হবে। নয়তো কীভাবে চলবে?'
আইসিসির বিরুদ্ধে অনেকেই পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করছে। বলা হচ্ছে, বিসিসিআইয়ের সুবিধা করে দিয়েছে সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা। কিন্তু এমন মানতে নারাজ ভারতের প্রাক্তনী। আকাশ চোপড়া বলেন, 'অনেকেই বলছে এটা বিসিসিআইয়ের পক্ষে যাচ্ছে। তাঁদের জন্যই এটা করা হয়েছে। ওদের আমি একটাই কথা জিজ্ঞেস করতে চাই, তোমাদের মাথায় কি ঘিলু নেই? কেন আমরা নিজেদের দলে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে রাখব? সেটা আমাদের কীভাবে সাহায্য করবে? অস্ট্রেলিয়া হারবে কে জানত? কে জানত জিম্বাবোয়ে গ্রুপের একনম্বর দল হিসেবে সুপার এইটে যাবে? তাই এই গ্রুপকে দুর্বল ভাবার কারণ নেই। আগে সবকিছু খতিয়ে দেখে নাও। ফালতু কথা বলে লাভ নেই।' রবিবার ভারতের সুপার এইটের যাত্রা শুরু। প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা। গ্রুপ পর্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা লক্ষ্য সূর্যকুমার যাদবদের।
