আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৪ এর পর ২০২৬। মহিলাদের আইপিএল জিতল বেঙ্গালুরু। শেষবার ২০২৫ সালে পুরুষদের আইপিএলও জিতেছিল বেঙ্গালুরু।
টানা পাঁচটি ম্যাচ জিতে মেয়েদের প্রিমিয়ার লিগ শুরু করেছিল বেঙ্গালুরু। শেষটাও করল ট্রফি জিতে। এই সাফল্য বিশ্বাসই হচ্ছে না বেঙ্গালুরু অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানার। ট্রফি নেওয়ার আগে সে কথাই বার বার বললেন তিনি। অন্য দিকে, হেরে গিয়েও দলের পারফরম্যান্সে গর্বিত দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক জেমাইমা রদ্রিগেজ।
বৃহস্পতিবার একটা সময় মনে হচ্ছিল বেঙ্গালুরু ম্যাচটা হেরে যাবে। শেষের দিকে রাধা যাদবের ইনিংসে ভর করে দুশোর উপর রান তাড়া করে জিতেছে তারা। ম্যাচের পর স্মৃতি বলেন, ‘প্রচন্ড খুশি। আবারও বলব, আরসিবি সমর্থকরা বিশ্বের সেরা। যেখানে খেলি না কেন, প্রচুর সমর্থন পাই। ওঁরা জানেন আমরা যা করব সেটা ওঁদের জন্যই। তিন বছরে দল তিনটে ট্রফি জিতল। অসাধারণ কীর্তি।’ বৃহস্পতিবার স্টেডিয়ামের সমর্থন ছিল বেঙ্গালুরুর দিকেই। প্রতিটি উইকেট, প্রতিটি রানে সমর্থকরা আরসিবি, আরসিবি নাম ধরে চিৎকার করেছেন। তাঁদেরই ম্যাচের পর কুর্নিশ জানিয়েছেন স্মৃতি।
ফাইনালে দুশোর উপর রান তাড়া করা যে সহজ ছিল না সেটা মেনে নিয়েছেন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক। স্মৃতি বলেছেন, ‘এই পিচে ব্যাট করা সহজ ছিল ঠিকই। কিন্তু ফাইনালে দুশোর ওপর রান যথেষ্ট ভাল স্কোর। আমার মনে হয়, শেষ চার ওভারে আমরা খুব ভাল বল করেছি। ফলে ওদের রান কিছুটা কম হয়েছে। কৃতিত্ব দেব লরেন বেলকে। গোটা ম্যাচে ৪০০–র উপর রান হয়েছে। তা সত্ত্বেও মাত্র ২০ রান দিয়েছে। ওটাই ম্যাচ জেতানো বোলিং।’
জয়ের কৃতিত্ব দলের সাপোর্ট স্টাফদেরও দিয়েছেন স্মৃতি। বলেছেন, ‘আমরা সব সময় শান্ত থাকার চেষ্টা করেছি। সাপোর্ট স্টাফরা সবসময় দলের খেলোয়াড়দের পাশে থেকেছে। প্রত্যেকের ভূমিকা নির্দিষ্ট ছিল। শুধু এখনই নয়, নিলাম হওয়ার পরেও প্রত্যেকে আলাদা করে ফোন পেয়েছে। তাদের বলা হয়েছে কী চাওয়া হচ্ছে। ব্যাটিং অর্ডার নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। বোলারদের নির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে তাদের থেকে কী চাওয়া হচ্ছে। ফলে সাপোর্ট স্টাফদের প্রশংসা প্রাপ্য।’
ফাইনাল হারলেও দলের খেলায় গর্বিত জেমাইমা। বলেছেন, ‘এই দলকে নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। ম্যাচটা আমাদের কাছে সহজ ছিল না। তবু সতীর্থরা যেভাবে সাহসী হয়ে খেলেছে তাতে আমি গর্বিত। এর থেকে ভাল বোধহয় কিছু আশা করা যেত না। শুধু খেলোয়াড়রা নয়, সাপোর্ট স্টাফরাও প্রচুর পরিশ্রম করেছেন। সাজঘরকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছেন।’ এরপরই তাঁর সংযোজন, ‘ফাইনালে ২০৩ রান করা সব সময়ই ভাল। দল যেভাবে খেলেছে তাতেও আমি খুশি। আমার মনে হয় দলের সেরা পারফরম্যান্স ফাইনালে দেখতে পেয়েছি। প্রত্যেকে প্রচুর পরিশ্রম করেছে। কখনও সখনও সঠিক কাজ করলেও ফল পাওয়া যায় না।’
