আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মহ‌সিন নকভিকে অযোগ্য ও অশিক্ষিত বলে তোপ দেগেছিলেন শোয়েব আখতার। এক সাক্ষাৎকারে নকভিকে এই ভাষাতেই আক্রমণ করেছিলেন শোয়েব। যদিও তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পাল্টি খেলেন শোয়েব। 
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এই সাক্ষাৎকার দেওয়ার পর ইউ টার্ন মেরেছেন শোয়েব। এক পাক সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেছেন, ‘‌ওই শব্দ দুটির ব্যবহার পাকিস্তানের জঘন্য খেলা দেখেই বলেছিলাম। মহসিন ভাইকে উদ্দেশ্য করে নয়।’‌


শোয়েব বলেছেন, ‘‌অযোগ্য ও অশিক্ষিত শব্দ দুটি মহসিন নকভি ভাইকে উদ্দেশ্য করে বলিনি। অনেকেই হয়ত ভেবেছেন আমি নকভি ভাইকে উদ্দেশ্য করে এই কথা বলেছি। কিন্তু তা নয়। বলতে চেয়েছি এই ধরনের ব্যক্তিরা একটা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করতে পারে। আর আমার বলার উদ্দেশ্য ছিল পারিস্তানের খেলা এতটাই জঘন্য ছিল যে বলার নয়। আমার ওই মন্তব্য আইসিসির কিছু কর্তাব্যক্তিদের জন্যও ছিল। ওই সংবাদমাধ্যম আমার বক্তব্যকে বিকৃত করেছে। এমনকী ওই অনুষ্ঠানে আমি এটাও বলেছিলাম যে মহসিন নকভি একজন ভাল মানুষ। উনি পাকিস্তান ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু সঠিক ক্রিকেটারের অভাবে সেটা হচ্ছে না।’‌


যদিও শোয়েব এটাও জানিয়েছেন যে তিনি নকভির উপর বিরক্ত হয়েছিলেন। তবে সেটা ভারত ম্যাচ বয়কট করে ফের খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। অন্য কিছু নয়।


শোয়েবের কথায়, ‘‌একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে সেখান থেকে সরে আসা হল। গোটা পাকিস্তান বয়কট প্রসঙ্গে নকভির সঙ্গে ছিল। কিন্তু ইউ টার্ন নেওয়াতেই আমি বিরক্ত হয়েছি।’‌ 


এটা ঘটনা, ওই ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে শোয়েব আগে বলেছিলেন, ‘‌নকভি এই পদের যোগ্য নন। আমি যদি চ্যানেলের প্রধান হই তাহলে তো কাজ চালাতে পারব না। ঠিক নকভিও তাই। এই পদের যোগ্য নয়।’‌


ওই অনুষ্ঠানে বাবর ও শাহিন আফ্রিদিরও সমালোচনা করেছিলেন শোয়েব। বলেছিলেন, ‘‌শাহিন এই দলে ফিট করছে না। আর বাবরকে মিডল অর্ডারে খেলিয়ে লাভ নেই। খেলালে ওপেন করাও। তাছাড়া টি–২০ বাবরের জন্য নয়।’‌