আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক পাঁচ দিন আগে অস্ট্রেলিয়ার ভরাডুবি। পাকিস্তান সফরে গিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হল অজিরা। প্রশ্ন উঠে গেল, বিশ্বকাপের আগে কী হল অস্ট্রেলিয়ার?
সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১১১ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে লজ্জার রেকর্ড গড়ল অজিরা।
এর আগে ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের কাছে ১০০ রানে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। এতদিন এটাই ছিল সর্বোচ্চ রানে পরাজয়ের রেকর্ড।
লাহোরে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ২০৭ রান করে। শেষের দিকে ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে মাত্র ১৯ বলে ৪৬ রানের ঝড় তোলেন শাদাব খান।
২০৮ রান তাড়া করতে নেমে মহম্মদ নওয়াজের স্পিনে বিভ্রান্ত হয় অস্ট্রেলিয়া। ১৬.৫ ওভারে মাত্র ৯৬ রানেই অল আউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন মার্কাস স্টোয়নিস। ২২ রান করেন ক্যামেরন গ্রিন। আর কেউ সেভাবে জ্বলে উঠতে পারলেন না।
এদিকে অস্ট্রেলিয়াকে বিধ্বস্ত করার দিনে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বড় ঘোষণা করল পাকিস্তান সরকার। এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে পাকিস্তান সরকার রবিবার ঘোষণা করেছে, আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। কিন্তু গ্রুপ পর্বে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ম্যাচটি বয়কট করা হবে। বাংলাদেশের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের পর আইসিসি টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশকে সরিয়ে দেওয়ায় তারই প্রতিবাদ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ভারতের মাটিতে খেলা নিয়ে নিরাপত্তা আশঙ্কা প্রকাশ ছিল। তারা গ্রুপ পর্বের সমস্ত শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ স্থানান্তরের দাবি জানালে বিষয়টি নিয়ে আইসিসি সদস্য দেশগুলির মধ্যে ভোটাভুটি হয়। সেই ভোটে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ায় শুধু পাকিস্তান ও বাংলাদেশ। তবে বাকি ১৪টি দেশ বিসিবির দাবি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেনি। আইসিসি বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দিয়ে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তারপরই জল্পনা শুরু হয় বিশ্বকাপে আদৌ পাকিস্তান অংশ নেবে কিনা। এমনকী, পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে।
রবিবার পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে জানিয়েছে, 'পাকিস্তান ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সরকার আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে অনুমোদন দিচ্ছে।' তবে একই পোস্টে স্পষ্ট করে বলা হয়, ' আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল মাঠে নামবে না।'
