আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্কুলের পরিচালন সমিতি ভেঙে দিয়েছে। স্কুল পরিচালন সমিতিতে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এখন থেকে অভিভাবকদের পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন অঞ্চলের স্কুল পরিদর্শকদের সরকারপোষিত স্কুলগুলির জন্য প্রশাসক হিসাবেও নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু এ বার তাঁদের বিরুদ্ধেও উঠছে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, সেই প্রশাসকেরা নাকি কাজে সহযোগিতা করছেন না। তাই থমকে স্কুলের একাধিক জরুরি কাজ। এ বার সে বিষয়েই রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দপ্তরের প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্যের স্কুল পরিচালন সমিতিকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। সমিতির যাবতীয় কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার বা ডিডিও-কে। দু'মাস আগে অর্থাৎ মে মাসের শেষে এই পদে প্রশাসক নিয়োগের নির্দেশ জারি করেছিল স্কুলশিক্ষা দপ্তর। পরিচালন সমিতির সভাপতির পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডিডিও-কে। শুধু মাত্র প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, স্কুলের যে কোনও আর্থিক লেনদেনের নানাদিকও খতিয়ে দেখার দায়িত্ব ডিডিও-র।
সূত্রের খবর, তবে এই পরিবর্তনের পরেই ডিডিও পদে নিযুক্তদের বিরুদ্ধে উঠেছে অভিযোগ। স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের তাঁরা সহযোগিতা করছেন না, এমন অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। সরাসরি স্কুল শিক্ষা দপ্তরেই জানানো হয়েছে সেই অভিযোগ। তার পর প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশিকা অনুযায়ী, সমস্ত স্কুলের ডিডিও-কে সরকারি আইন, নিয়মনীতি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মানতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই তাঁদের সব দায়িত্ব পালন করতে হবে। স্কুলের দৈনন্দিন কাজকর্ম যথাযথ ভাবে পরিচালনায় দক্ষ হতে হবে তাঁদের। একইসঙ্গে পড়ুয়াদের বৃহত্তর স্বার্থের কথা মাথায় রেখে স্কুলের প্রধানশিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও পুরোমাত্রায় সহযোগিতা করতে হবে। স্কুলশিক্ষা দপ্তরের ধারণা, তাঁদের এই পদক্ষেপ স্কুল পরিচালনায় সাম্প্রতিককালে যে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে, তার দ্রুত সমাধান হবে। এ ছাড়া, স্কুলের পঠনপাঠনের পরিবেশও উন্নত হবে।
















