আজকাল ওয়েবডেস্ক: উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছে সল্টলেক স্টেডিয়াম, বাজি ফাটছে, আবির খেলা চলছে। কিন্তু হোসে মলিনা সেই শান্ত মেজাজেই, তবে ভিতর থেকে তিনি তৃপ্ত, তিনি খুশি সেটা বোঝা যাচ্ছে। মুখে হালকা হাসি, ব্যস এটুকুই। গোটা মরশুমে মাত্র দুটো ম্যাচে হার, দু'ম্যাচ বাকি থাকতেই শিল্ড জয়।  ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে এসেও হাসিঠাট্টার মধ্যে দিয়ে উত্তর দিলেন তিনি। তবে স্পষ্ট জানিয়ে গেলেন, 'শিল্ড জিতে অবশ্যই খুশি। ফুটবলার, সাপোর্ট স্টাফ এবং সর্বোপরি সমর্থকদের জন্য ভাল লাগছে। তবে আমি এখানেই শেষ করতে চাই না। আমার সেরা সাফল্য এখনও বাকি রয়েছে।'

 

এদিনের ম্যাচের পর যে যার দেশে ফিরে গেলেন বাগান ফুটবলাররা। সেমিফাইনালের আগে আপাতত কিছুদিন বিশ্রাম নেবেন ফুটবলাররা। ভারতীয় খেলোয়াড়রা যোগ দেবেন জাতীয় ক্যাম্পে। গতবার হাবাসের কোচিংয়ে আইএসএল শিল্ড জিতেছিল মোহনবাগান। সেই সাফল্যকে ধরে রাখাই ছিল মলিনার কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ, সে কথাই ম্যাচের পর জানান তিনি। বললেন, 'মোহনবাগানের কোচ হওয়াটা একটা বড় দায়িত্ব। গতবার যারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সেই একই সাফল্য ধরে রাখাটা আমার কাছে চাপের ছিল। আমি জানতাম প্রত্যেকটা ম্যাচ কঠিন হবে, ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সেরা দিতে হবে প্রত্যেক ম্যাচে। ফুটবলাররা চ্যাম্পিয়নের মতোই খেলেছে।

 

সকলেই আমাদের হারানোর চেষ্টা করেছে। এই মরশুমটা গতবারের থেকেও কঠিন ছিল।' তবে মরশুমের সবথেকে স্মরণীয় ম্যাচ হিসেবে ওড়িশা ম্যাচকেই এগিয়ে রাখলেন স্প্যানিশ মায়েস্ত্রো। দিমির শেষ মুহূর্তের গোলে ওড়িশাকে হারিয়ে শিল্ড নিশ্চিত করেছিল মোহনবাগান। শনিবার গোয়াকে হারিয়ে তারা পৌঁছে গেল ১০০০ পয়েন্ট গড়ার রেকর্ডে। প্রথম লেগে এফসি গোয়ার কাছে হারতে হয়েছিল মোহনবাগানকে। কিন্তু যুবভারতীতে ৬১,০০০ দর্শকের সমর্থন যে তাদের সাহায্য করেছে সে কথাও জানাতে ভুললেন না তিনি। আপাতত ফুটবলাররা ছুটিতে। আগামী ১৮ মার্চ থেকে সেমিফাইনালের প্রস্তুতি শুরু করে দেবেন তিনি।