আজকাল ওয়েবডেস্ক: ব্যাট ও বলের দুর্দান্ত এক লড়াই দেখল ব্রিসবেন। 

অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট শেষ হয়ে গিয়েছিল মাত্র দু'দিনে। ব্রিসবেনের দ্বিতীয় টেস্টে কিন্তু বারুদ রয়েছে। স্টার্কের গোলায় একসময়ে মনে হয়েছিল লজ্জায় পড়বে ইংল্যান্ড। কিন্তু  জো রুট ভেবেছিলেন অন্যকিছু। আর শেষের দিকে আর্চার হতাশা বাড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়ানদের। 

অ্যাশেজে গোলাপি বলের টেস্টে প্রথম দিনই ইতিহাসের পাতায় মিচেল স্টার্ক। টেস্টে বাঁ হাতি পেসার হিসেবে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড করলেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা। ভেঙে দেন ওয়াসিম আক্রমের সর্বকালের রেকর্ড। দ্বিতীয় স্থানে থেকে দিনের শুরুটা করেছিলেন। সুইংয়ের রাজাকে পেরোতে দুটো উইকেট প্রয়োজন ছিল। বেশিক্ষণ সময় নেননি স্টার্ক। রেকর্ড নিজের নামে করে নেন। বৃহস্পতিবার গাব্বাতে এই নজির গড়েন অজি তারকা। ১০৪ টেস্টে ৪১৪ উইকেট ছিল আক্রমের। দুই টেস্ট কম খেলে (১০২) এই মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলেন স্টার্ক। গোলাপি বলের ওপর আরও একবার আধিপত্য বিস্তার করেন। বর্তমানে ১০২ টেস্টে তাঁর উইকেট সংখ্যা ৪১৫। 

এদিন প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেন স্টার্ক। শূন্য রানে ফেরেন বেন ডাকেট। এই নিয়ে ২৬তম বার প্রথম ওভারে উইকেট তুলে নিলেন অজি তারকা। এরপর অলি পোপকে ফিরিয়ে আক্রমকে ছুঁয়ে ফেলেন। রেকর্ড ভাঙার জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। হ্যারি ব্রুক স্টিভ স্মিথের হাতে ধরা পড়তেই আসে সেই মহেন্দ্রক্ষণ। ৩৩ বলে ৩১ রান করে আউট হন। দিনরাতের টেস্টে সবসময় একনম্বর বোলার স্টার্ক। ৮০ উইকেট তুলে নেন। গড় ১৭।

অ্যাশেজের প্রথম ম্যাচে ১০ উইকেট সংগ্রহ করে ম্যাচের সেরা হন। এবার ওয়াসিম আক্রমকে টপকে লাল বলের ক্রিকেটে সর্বকালের সেরা বাঁ হাতি স্টার্ক। টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। শুরুতেই ফেরেন বেন ডাকেট এবং অলি পোপ। কেউই রানের খাতা খুলতে পারেনি। মাত্র ৫ রানে জোড়া উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। হাল ধরেন জ্যাক ক্রলি এবং জো রুট। তৃতীয় উইকেটে ১১৭ রান যোগ করে। ৭৬ রান করে আউট হন ইংল্যান্ডের ওপেনার।

স্টার্কের রেকর্ড গড়ার দিনে সেঞ্চুরি হাঁকালেন জো রুট। দিনান্তে তিনি ১৩৫ রানে অপরাজিত রইলেন। রুটের সঙ্গী হিসেবে ক্রিজে রয়েছেন আর্চার। রুটের সঙ্গে ৬১ রানের জুটি গড়েছেন তিনি। নিজে অপরাজিত রয়েছেন ২৬ বলে ৩২ রানে। ইংল্যান্ডের স্কোর ৯ উইকেটে ৩২৫।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম ও কেরিয়ারের ৪০-তম সেঞ্চুরিটি করেন রুট।