আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে ১৫ বছর কাটিয়ে ফেললেন রোহিত শর্মা। ২০০৮ সালে টুর্নামেন্টের শুরুতে রোহিত ছিলেন ডেকান চার্জার্সে। ওই দলের হয়ে ৪৪ ম্যাচে ১১৭০ রান করেছিলেন রোহিত। ডেকানের হয়ে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিকও আছে রোহিতের। করতে পারেন পার্টটাইম অফস্পিন। 


মুম্বইয়ের হয়ে দীর্ঘ ১৫ বছর খেলে ফেললেন রোহিত। তাঁর নেতৃত্বেই মুম্বই পাঁচ বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। রোহিতই একমাত্র ক্রিকেটার যিনি মুম্বইয়ের হয়ে টানা ১৫ বছর খেলে ফেললেন। মুম্বইয়ের হয়ে ২৩০ ম্যাচে ৫৯৯৪ রান করেছেন রোহিত। রয়েছে দুটি শতরানও। 
চলতি আইপিএলের শুরুটাও ভাল করেছিলেন রোহিত। কেকেআরের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ৩৮ বলে ৭৮ করেছিলেন। দিল্লি ম্যাচে করেছিলেন ৩৫। রাজস্থান ম্যাচে রান পাননি। মুম্বইয়ের পরের ম্যাচ রবিবার গতবারের চ্যাম্পিয়ন আরসিবির বিরুদ্ধে।


মুম্বই প্রথম ম্যাচ জিতলেও পরের দুটি হেরেছে। তিন ম্যাচে পয়েন্ট মাত্র দুই। রয়েছে আট নম্বরে। 

এদিকে, আইপিএল থেকে ছিটকে গেলেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড হাসারাঙ্গাকে ‘‌নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’‌ দেয়নি। ফলে এবার আর লখনউ সুপার জায়ান্টসের হয়ে আইপিএল খেলা হল না এই শ্রীলঙ্কান স্পিনারের।


চোট না সারায় ছিটকে যেতে হল ২ কোটি টাকার এই অলরাউন্ডারকে। হাসারাঙ্গার ব্যাটের হাতও বেশ ভাল। প্রসঙ্গত, টি–২০ বিশ্বকাপে চোট পেয়েছিলেন হাসারাঙ্গা। যা এখনও সারেনি। লখনউয়ের গ্লোবাল ডিরেক্টর টম মুডি বলেছেন, ‘‌ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা এবার আইপিএল খেলতে পারবে না। আগামী দু’‌দিনের মধ্যে হাসারাঙ্গার পরিবর্ত খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার চেষ্টা করব।’ এটা ঘটনা, আইপিএলের গত নিলামের আগে হাসারাঙ্গাকে ছেড়ে দিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। লখনউ তাঁর সঙ্গে ২ কোটি টাকায় চুক্তি করেছিল।

জানা গিয়েছে, হাসারাঙ্গা এখনও বল করার মতো পরিস্থিতিতে নেই। আর তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে আইপিএল খেলার অনুমতি দেয়নি। শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার নিজেও বোর্ডের কাছে আইপিএল খেলার অনুমতি চাননি। চোট সম্পূর্ণ ঠিক হওয়ার পর হাসারাঙ্গাকে ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হবে। তার পর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার অনুমতি পাবেন তিনি।