আজকাল ওয়েবডেস্ক: বুমরা, রোহিত শর্মা, সূর্যকুমার যাদব, তিলক ভার্মাদের মতো তারকারা দলে থাকা সত্ত্বেও চলতি আইপিএলে রীতিমত ধুঁকছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। একের পর এক হারে কার্যত টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার মুখে হার্দিক পাণ্ডিয়ার দল।
তবে অনেকেই বলছেন এখনও প্লে-অফে ওঠার সুযোগ রয়েছে মুম্বইয়ের কাছে। শনিবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে হেরে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে গেল মুম্বইয়ের।
চেন্নাইয়ের চিপক স্টেডিয়ামে হাইভোল্টেজ ম্যাচে হারার পর পয়েন্ট টেবিলের নবম স্থানে রয়েছে মুম্বই। ন’টি ম্যাচ খেলে মাত্র দুটি জিতেছে মুম্বই। তাদের ঝুলিতে রয়েছে মাত্র চার পয়েন্ট এবং নেট রানরেট -০.৮০৩।
গত আট ম্যাচে সাতটি হার মুম্বইয়ের ভয়াবহ ফর্মকেই তুলে ধরছে। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান তোলে তারা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন নমন ধীর।
তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি চার ও তিনটি ছক্কা। ১৯ রানে ব্যাট করার সময় একবার জীবনদান পেয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে দুর্ধর্ষ ইনিংস খেলে অর্ধশতরান করেন তিনি। রান তাড়া করতে নেমে দুরন্ত ব্যাটিং করেন রুতুরাজ গায়কোয়াড় এবং কার্তিক শর্মা।
দু’জনেই অর্ধশতরান করে দলকে সহজ জয়ে পৌঁছে দেন। ১১ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে চেন্নাই। এখন মুম্বইয়ের সামনে বড় প্রশ্ন, প্লে-অফে ওঠা কি এখনও সম্ভব? অঙ্কের হিসেবে সুযোগ থাকলেও বাস্তবে সম্ভাবনা খুবই কম।
কারণ, নিজেদের ভাগ্য আর নিজেদের হাতে নেই হার্দিকদের। বাকি সব ম্যাচ জিতলেও প্লে-অফ নিশ্চিত নয়। যদি তারা ১৪ পয়েন্টে পৌঁছয়, তবুও অন্য দলের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।
সেই সঙ্গে নেট রানরেটও বড় ভূমিকা নিতে পারে। ১০ দলের আইপিএল ফরম্যাটে মাত্র একবার ১৪ পয়েন্ট নিয়ে কোনও দল শেষ চারে উঠেছে। ২০২৪ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু নেট রান রেটে চেন্নাই সুপার কিংসকে টপকে প্লে-অফে জায়গা করে নিয়েছিল।
তবে এখান থেকে মুম্বইয়ের সামনে ভুল করার আর কোনও সুযোগ নেই। শুধু জিতলেই হবে না, বড় ব্যবধানে জিতে নেট রানরেটও বাড়াতে হবে। সোমবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নামছে মুম্বই। মরশুমে মুম্বই প্লে-অফের দৌড়ে টিকে থাকতে পারবে কিনা তা পরিষ্কার হয়ে যাবে সোমবার।















