আজকাল ওয়েবডেস্ক: দল আলাদা হলে কী হবে, নিজের ঘরের মাঠ চিন্নাস্বামীতে খেলতে নেমে হাসিমুখেই মাঠ ছাড়লেন কেএল রাহুল। কর্ণাটকের এই ক্রিকেটার যেখান থেকে খেলে ভারতীয় দলে জায়গা পেয়েছেন সেখানেই অধিনায়কত্ব এবং দুর্দান্ত ব্যাটিং করে জেতালেন দিল্লি ক্যাপিটালসকে।

শনিবারের ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালস দারুণ লড়াই করে হারায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে। ম্যাচ শেষে রাহুল জানান, শুরু থেকেই পরিকল্পনা ছিল ভালো ক্রিকেট শট খেলে যাওয়া। শেষদিকেও তাঁরা কোনও চাপ অনুভব করেননি। কারণ, ট্রিস্টেন স্টাবস ও ডেভিড মিলার শেষ পর্যন্ত ক্রিজে টিকে ছিলেন।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য দিল্লির জন্য কঠিন ছিল। ভুবনেশ্বর কুমারের দুরন্ত বোলিংয়ে পাওয়ারপ্লেতেই ১৮ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারায় দিল্লি। তবে রাহুল ও ট্রিস্টেন স্টাবসের অর্ধশতরানের ইনিংসে ম্যাচে ফেরে দিল্লি। শেষদিকে আরসিবি ম্যাচে ফিরে এসে শেষ ওভারে সমীকরণ দাঁড় করায় ১৫ রানে।

শেষ ওভারে দারুণ ফিনিশ করেন মিলার—দুটি ছয় ও একটি চার মেরে এক বল বাকি থাকতে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। এই জয়ে মরশুমে তৃতীয় জয় তুলে নেয় দিল্লি।

ম্যাচ শেষে রাহুল বলেন, ‘শুরুতে উইকেটে কিছুটা সাহায্য ছিল বোলারদের জন্য। আমি দেখছিলাম বিরাট কোহলি, ফিল সল্ট উইকেটে স্বচ্ছন্দ ছিলেন না। আমরা দ্রুত তিন উইকেট হারানোয় কাজটা কঠিন হয়ে যায়। তারপর পরিকল্পনা ছিল ভাল শট খেলে যাওয়া এবং বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘শেষদিকে কিছুটা রিভার্স সুইং ছিল এবং আরসিবির ডেথ বোলিং শক্তিশালী। তাই ম্যাচটাকে খুব গভীর পর্যন্ত নিয়ে যেতে চাইনি। তবে স্টাবস ও মিলারের উপর আমাদের পূর্ণ আস্থা ছিল।’

এই ম্যাচে নিয়মিত অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল চোটের কারণে বাইরে থাকায় স্ট্যান্ড-ইন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব সামলান রাহুল।

এই জয়ের ফলে দিল্লি পাঁচ ম্যাচে তিনটি জয় ও দুটি হার নিয়ে ছয় পয়েন্টসহ পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। অন্যদিকে, ছয় ম্যাচে চার জয়ে আট পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বেঙ্গালুরু।