আজকাল ওয়েবডেস্ক: আইপিএলের ইতিহাসের পাতায় নতুন অধ্যায় যোগ করলেন তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত শতরানের ইনিংস খেলে তিনি শুধু সব আলো শুষেই নেননি, গড়ে তুলেছেন এক অনন্য ব্যক্তিগত মাইলফলকও।
মাত্র ৩৬ বলের ঝোড়ো ইনিংসে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সূর্যবংশী।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে প্রতিপক্ষ বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন তিনি। মাঠের চারদিকে অনায়াসে ছক্কা-চারের বর্ষণে প্রমাণ করে দেন বয়স
কম হলেও ব্যাট হাতে তিনি মোটেও নবীন নন।
এই ইনিংসের মধ্য দিয়েই তিনি ভেঙে দেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম বিধ্বংসী ব্যাটার ক্রিস গেইলের একটি দুর্দান্ত রেকর্ডও।
এতদিন আইপিএলে দ্রুততম ৫০টি ছক্কা মারার রেকর্ড ছিল গেইলের দখলে। ক্যারিবিয়ান এই তারকা ২১ ইনিংসে পৌঁছেছিলেন ৫০ ছক্কার মাইলফলকে।
কিন্তু সূর্যবংশী সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন মাত্র ১৫ ইনিংসে।
হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নিজের ৫০-তম ছক্কাটি হাঁকিয়ে এই কীর্তি স্থাপন করেন তিনি।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, চলতি আইপিএল শুরুর আগেই এক সাক্ষাৎকারে গেইলের রেকর্ড ভাঙার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছিলেন সূর্যবংশী। গেইলের ১৭৫ রানের ধারেকাছে এখনও পৌঁছতে পারেননি সূর্যবংশী। তবে ছক্কার রেকর্ড ভেঙে দিলেন। ক্রিকেটবিশ্বে ইতিমধ্যেই বৈভবের পারফরম্যান্স নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মঞ্চেও বড় তারকা হয়ে উঠতে পারেন এই তরুণ প্রতিভা।
সব মিলিয়ে, এক ম্যাচেই শতরান, রেকর্ড ভাঙা এবং নিজের দক্ষতার জোরালো প্রমাণ দিয়ে যান সূর্যবংশী।
২০২৫ সালে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন বৈভব। চলতি আইপিএলে ৩৬ বলে শতরান করেন তিনি। ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি করেন সূর্যবংশী।
তার পরে হেলমেট খুলে মাথার চুল সরিয়ে শূন্যে হৃদয় আঁকেন তিনি। পরে স্যালুটও করেন। ধারাভাষ্যকাররা বলছিলেন, অন্য কেউ হলে লাফিয়ে উঠতেন। বৈভব শান্ত।
সেঞ্চুরির আগের বলটা বাউন্ডারিতে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি নিজে আশা করছিলেন ছক্কা হবে। ছক্কা না হওয়ায় নিজেই হতাশ হয়ে পড়েন। সেঞ্চুরি করার পরে অবশ্য বেশিদূর এগোতে পারেননি বৈভব। পরের বলেই এলবিডব্লিউ হন সূর্যবংশী।
তাঁর ১০৩ রানের ইনিংসে সাজানো ছিল ৫টি চার ও ১২টি ছক্কা।















