আজকাল ওয়েবডেস্ক: তাঁর যখন ৮ রান, তখন রবীন্দ্র জাদেজার বলে বার্গার সহজ ক্যাচ ছেড়েছিলেন। সেই তিনিই কেকেআরকে প্রথম জয় এনে দিলেন এবারের আইপিএলে। তিনি রিঙ্কু সিং। দিনের শেষে ৫৩ রানে অপরাজিত থেকে যান ফিনিশার রিঙ্কু। তাঁকে যোগ্য সহায়তা করেন অনুকূল রায়। ১৬ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থেকে যান তিনি। ২ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় কেকেআর।

রিঙ্কু সিং আগেও ফিনিশারের ভূমিকায় ধরা দিয়েছিলেন। পাঁচটা ছক্কা হাঁকিয়ে অতীতে তিনি কেকেআর-কে জিতিয়েছিলেন। এবার পথভ্রষ্ট এক দলকে জয় এনে দিলেন। 

১৫৬ রান তাড়া করতে নেমে কলকাতা নাইট রাইডার্স পথ হারাতে বসেছিল। জয়ের সমীকরণ কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছিল। এরকম সময়ে রিঙ্কু ফিনিশারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন। অনুকূল রায়কে সঙ্গে করে কেকেআর-কে প্রথম জয় এনে দিলেন। 

এর আগে রাজস্থান রয়্যালসকে ১৫৫ রানে আটকে রেখেছিল কলকাতা। রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই সেইফার্ট আউট হন। ধাক্কা কেকেআরের ইনিংসে। জোফ্রা আর্চারের প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সেইফার্ট। শূন্য রানে প্রথম উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল। 
পরের ওভারের দ্বিতীয় বলেই ফের উইকেট পতন কেকেআরের।  নাইট অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে খাতা না খুলেই ফিরে যান। জোড়া উইকেট হারিয়ে প্রবল চাপে পড়ে যায় কেকেআর। 

চাপ আরও বাড়ে জুরেলের দারুণ ফিল্ডিংয়ে। রবি বিষ্ণোইয়ের বলে ধ্রুব জুড়েল দুরন্ত স্টাম্পিং করেন গ্রিনকে। ক্যামেরন গ্রিন ভয়ঙ্কর হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। ১৩ বলে ২৭ রান করে আউট হন গ্রিন। ৩৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় কেকেআর। 
পাওয়ার প্লে শেষে কেকেআর করে ৩ উইকেটে ৫১। অঙ্গকৃশ রঘুবংশী ১৯ বলে ১০ রান করে ফেরেন। ৫২ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় কেকেআর।
এরপর জাডেজার বলেই আউট হন রভম্যান পাওয়েল। ২৩ রান করে ফেরেন তিনি। ফলে আরও চাপে পড়ে যায় কেকেআর ইনিংস।
এর মাঝেই রিঙ্কু জীবন ফিরে পান।  জাডেজার বলে তাঁর ক্যাচ ছাড়েন বার্গার। একদিক থেকে লাগাতার উইকেট পড়লেও রিঙ্কুর সঙ্গে অনুকূল রায় মোক্ষম সময়ে হাল ধরেন। অনুকূল রায় তাঁর ব্যাটিং দক্ষতা দেখিয়ে দেন। চাপের মুখে আর্চারকে ছক্কা মেরে রিঙ্কুর উপর থেকে চাপ কমান তিনি। শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৯ রান। সেই রান এনে দেয় রিঙ্কুর ব্যাট। ইডেনে এল নাইটদের প্রথম জয়।