আজকাল ওয়েবডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কেন গুরুত্বপূর্ণ তা দেখিয়ে দিলেন মহম্মদ সামি। 

লখনউ সুপার জায়ান্টসের হয়ে বঙ্গপেসার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন। সামির বিষাক্ত বোলিংয়ে অভিষেক শর্মা ও ট্র্যাভিস হেড ফিরে যান। দুই তারকা ব্যাটার বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই সামি বিষ ঢালেন। চার ওভার হাত ঘুরিয়ে সামি ২টি উইকেট নেন। তিনি ৯ রান দেন। ১৮টি ডট বল করেন। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ১৮টি ডট বল করা কিন্তু রীতিমতো কঠিন ব্যাপার। সেই কঠিন কাজটাই সামি করেছেন। 
গতির উপরে নির্ভর না করে, সামি সূক্ষ্ম বৈচিত্র্য আনেন বোলিংয়ে। সামি বলেন, '' পিচ মন্থর ছিল। বল পড়ে ধীরে আসছিল। নতুন বলে লাইন ও লেন্থ খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটারদের মারার জায়গা দিলে ওরা বোলারকে শাস্তি দেবে।'' 

গতবছরের মার্চের পরে আর খেলেননি সামি। তিনি বলছেন, ''আমি মেশিন নই। আমার পারফরম্যান্স ওঠানামা করতেই পারে। গত কয়েক বছরে আমি ভালো খেলেছি। মানুষ সেটা খেয়াল না করলে সেটা আলাদা বিষয়। কিন্তু আমি সবসময় ভালো করার চেষ্টা করি।'' 

সামি আরও বলেন, ''ফিট থাকলে নিজের দক্ষতা নিয়ে কাজ করা যায়। তাই আমি ঘরোয়া ম্যাচগুলো খেলেছি।'' 

উপেক্ষিত ফাস্ট বোলার মহম্মদ সামি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে বিসিসিআই নির্বাচকদের কাছে বড় বার্তা পাঠালেন।


ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ কিংবা তার পরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য তাঁকে দলে বিবেচনা করা হয়নি। তবুও সামি দমছেন না। তিনি বল হাতে ম্যাজিক দেখিয়েই চলেছেন।