আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজস্থান রয়্যালস ২৭ রানে হারিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। দেশের প্রাক্তন তারকা রবিচন্দ্রন অশ্বিন কিশোর প্রতিভার পারফরম্যান্স দেখে বিস্মিত। ম্যাচে জশপ্রীত বুমরাহকে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান। অশ্বিন বলেছেন, ''বৈভবকে আমি শুধু একটা প্রশ্ন করতে চাই। যার নাম জশপ্রীত বুমরাহ, যে সারা বিশ্বে ভারতকে ম্যাচ জিতিয়েছেন। তার বল দেখলেই অনেক ব্যাটার ভয় পায়। আর এই ছেলেটা প্রথম বলেই বুমরাহকে ছক্কা মারল!'' অবাক অশ্বিন। 

ভারতের প্রাক্তন অফস্পিনার আরও বলেন, ''তুমি এখনও ভোটাধিকার পাওনি। গাড়ি তো দূরের কথা, মোপেডও চালাতে পারো না। সাইকেল চালালেও বাবাকে নজর রাখতে হয়। আর সেই তুমিই বুমরাহকে ছক্কা মারছো। ওর স্লোয়ার ডেলিভারিতেও একই কাজ করছো!'' অশ্বিনের সংযোজন, ''মানুষ শুধু বৈভবের খেলা দেখার জন্যই স্টেডিয়ামে আসবে। ওর নাম আর নম্বর লেখা জার্সি পরে।'' অশ্বিন বলছেন, ''সঞ্জুকে যেমন শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম, ওকেও তেমনই জানাই। সব খারাপ নজর থেকে যেন দূরে থাকে বৈভব।'' একথা বলেন অশ্বিন।

বুমরাহকে কীভাবে সামলান বৈভব, সেটাই ছিল দেখার। এহেন চ্যাম্পিয়ন ফাস্ট বোলারকে সূর্যবংশী বলে বলে ছক্কা হাঁকান। বুমরাহর মতো বোলারকে সহজেই সামলানোর পরে দেশের আরেক প্রাক্তন ক্রিকেটার পরিষ্কার জানিয়ে দেন, বৈভবকে অপেক্ষায় রাখার দরকার নেই। 

অবিলম্বে বৈভব সূর্যবংশীকে জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়ার দাবি জানালেন ইরফান পাঠান। মঙ্গলবার মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে ১১ ওভারের ম্যাচের শুরুটা দারুণ করেন বৈভব। জশপ্রীত বুমরাহর বলে দুটো ছয়ে অভিভূত বিশেষজ্ঞ থেকে প্রাক্তনরা। পাঠান তাঁকে 'নিয়তির সন্তান'-এর অ্যাখ্যা দেন। একইসঙ্গে তিনি জানান, বর্তমানে সাদা বলের ক্রিকেটে যেভাবে খেলছে বৈভব, তেমন তিনি আগে কখনও দেখেননি। ইউ টিউব চ্যানেলে পাঠান বলেন, ''সূর্যবংশী নিয়তির সন্তান। সাদা বলের ক্রিকেটে মাত্র ১৫ বছর বয়সে যা করছে, আমার মনে হয় না আমরা আগে কখনও এরকম দেখেছি।''

পাঠান আরও বলেন, ''১৫ বছরের ওয়ান্ডার কিড বলে, বুমরাহর জন্য অপেক্ষা করছি। আগের বছর আমি ওর বলে আউট হয়েছি। আমি এই বছর ওকে মারব। কথা মতো, প্রথম বলেই বুমরাকে ছয় মারে।'' যে কিশোর প্রতিভা প্রথম বলেই বুমরাহকে তুলে গ্যালারিতে ফেলেন, তিনি অন্যরকম। আগামীর তারকা বৈভব সূর্যবংশী। এখন থেকেই তার প্রমাণ রাখছেন।