আজকাল ওয়েবডেস্ক: এক ম্যাচে ৫২৯ রান! ২৬৪ রান তাড়া করে জয়। আইপিএলে রেকর্ড জয় পাঞ্জাব কিংসের। বদলে যাচ্ছে টি-২০ ক্রিকেটের ব্যাকরণ। শনিবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ২৬৪ রান তাড়া করে জেতে শ্রেয়স আইয়াররা। আইপিএলের ইতিহাসে রেকর্ড জয়। এদিন দিল্লির বিরুদ্ধে ২৬৫ রান করে জেতে পাঞ্জাব। এর আগে কোটিপতি লিগে এত বড় রান তাড়া করে কোনও দলের জয়ের নজির নেই। ২০২৪ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ২৬২ রান করে জিতেছিল পাঞ্জাব। এদিন নিজেদের রেকর্ডই ভাঙল। প্রথমে ব্যাট করে ২ উইকেটের বিনিময়ে ২৬৪ রান করে দিল্লি ক্যাপিটলস। ৬৭ বলে ১৫২ রানে অপরাজিত থাকেন কেএল রাহুল। কিন্তু কাজে লাগল না ঐতিহাসিক ইনিংস। জবাবে সাত বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে জয় পাঞ্জাব কিংসের। ৩৬ বলে ৭১ রানে অপরাজিত শ্রেয়স। দলকে জয় এনে দেন পাঞ্জাবের অধিনায়ক। ৭ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগের মগডালে পাঞ্জাব কিংস। সাত ম্যাচে ছয় জয়। কেকেআরের বিরুদ্ধে বৃষ্টিতে ভেস্তে যায় ম্যাচ।
কয়েকদিন আগে টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচে ৫০০ রানের বেশি উঠেছিল। টিম ইন্ডিয়ার পাহাড়প্রমাণ রান তাড়া করে দলকে প্রায় জিতিয়েই দিচ্ছিলেন জেকব বেথেল। কিন্তু সেদিন ইংলিশ ক্রিকেটার যা পারেননি, সেটা করে দেখালেন এক ভারতীয়। অধিনায়কের ইনিংস শ্রেয়স আইয়ারের। তবে দু'বার প্রাণ ফিরে পান। দু'বারই তাঁর ক্যাচ ফেলেন করুণ নায়ার। যার খেসারত দিতে হয় দিল্লিকে। শুরুটা করেন প্রিয়ানস আর্য এবং প্রভসিমরন সিং। শেষটা শ্রেয়স। এদিন দুই ওপেনারের ঝোড়ো ইনিংসে পাওয়ার প্লের শেষে একশো রানে পৌঁছে যায় পাঞ্জাব। ১৭ বলে ৪৩ রান করেন প্রিয়ানস। তারমধ্যে ছিল ৫টি ছয়, ২টি চার। অন্য প্রান্তে বিধ্বংসী প্রভসিমরন। ৫টি ছয়, ৯টি চারের সাহায্যে ২৬ বলে ৭৬ রান করেন। দুই ওপেনারের আত্মবিশ্বাসের প্রশংসা করতেই হবে। দিল্লির ২৬৪ রানের পর মনে হয়েছিল চলতি আইপিএলে প্রথম ধাক্কা খাবে পাঞ্জাব। কিন্তু দুর্ধর্ষ দুই তরুণ ওপেনার। সাতের মধ্যে ছয় ম্যাচ জিতে একনম্বরে পাঞ্জাব। এদিন আরও একবার দেখিয়ে দিল তাঁরা কেন শীর্ষস্থানে। রেজাল্টের চিন্তা দূর করে, ভয়ডরহীন ক্রিকেটই শ্রেয়সদের এই জায়গায় নিয়ে এসেছে।
ম্যাচের প্রথম অংশ ছিল কেএল রাহুলের। ৬৭ বলে ১৫২ রানে অপরাজিত। ইনিংসে ৯টি চার, ১৬টি চার। স্ট্রাইক রেট ২২৬.৮৬। ভারতীয়দের মধ্যে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান। পেরিয়ে যান অভিষেক শর্মার ১৪১ রানের ইনিংসকে। সার্বিকভাবে আইপিএলের ইতিহাসে তিনটে দেড়শো যোগ্য সঙ্গত দেন নীতিশ রানা। ৪৪ বলে ৯১ রান করে আউট হন। দ্বিতীয় উইকেটে ২২০ রান যোগ করে রাহুল-নীতিশ জুটি। কিন্তু দিল্লির বিধ্বংসী ব্যাটিং সত্ত্বেও জিততে ব্যর্থ।















