আজকাল ওয়েবডেস্ক: যশ রাজ পুঞ্জার অভিষেক হল ইডেনে। রাজস্থান ও কলকাতার ম্যাচে তিনি খেললেন। তবে অভিষেক ম্যাচের অভিজ্ঞতা ভাল হল না যশ রাজের।
লেগ স্পিনার হিসেবে তিনি বৈভব সূর্যবংশীর পরিবর্তে ইমপ্যাক্ট সাব হিসেবে নেমে ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ১টি উইকেট নেন। নাইট তারকা রমনদীপ সিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটি তিনি নেন।
পুঞ্জার প্রথম ওভারে রোভম্যান পাওয়েল একটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে চাপ তৈরি করেন। কিন্তু তরুণ বোলার দ্রুত ঘুরে দাঁড়ান, লাইন-লেন্থ ঠিক করেন এবং বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে গতির পরিবর্তন আনেন।
১৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার দ্রুতই তার প্রথম আইপিএল উইকেট তুলে নেন। সেরকমই একটি দ্রুত ডেলিভারিতে রমনদীপকে আউট করেন। পুঞ্জার এই পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন প্রাক্তন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটার ও বিশিষ্ট ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ। ক্যারিবিয়ান প্রাক্তন প্রশংসা করেন পুঞ্জার। বিশপ
লিখেছেন, ''তোমরা যেভাবে তাঁকে খুঁজে পেয়েছ, তৈরি করেছ এবং বিশ্বাস রেখেছ, তা অসাধারণ। পুরো কৃতিত্ব তোমাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি,যশ, তার বড় ভাই ইয়োধিন এবং তার পরিবারকে।”
এবারের আইপিএলের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে উঠে আসা সবচেয়ে আকর্ষণীয় তরুণ প্রতিভাদের মধ্যে একজন পুঞ্জা। ডান হাতি লেগ-স্পিনার হওয়ার পাশাপাশি তিনি আবার কার্যকর ব্যাটসম্যানও। ৩০ লক্ষ টাকায় পুঞ্জাকে দলে নিয়েছে রাজস্থান। অজানা-অখ্যাত প্রতিভা খুঁজে বের করার জন্য পরিচিত রাজস্থান রয়্যালস।
২০০৬ সালের ২৬ জুন জন্ম পুঞ্জার। আবুধাবিতে জন্ম এবং সেখানেই প্রশিক্ষণ শুরু। শুরুতে পেস বোলার ছিলেন, কিন্তু বড় ভাই ইয়োধিনের পরামর্শে লেগ স্পিন শুরু করেন।
ইয়োধিন ২০১৫ সালে মাত্র ১৬ বছর ২০৬ দিনে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে অভিষিক্ত হন।
এই পরিবর্তনটাই যশ পুঞ্জাকে একজন লেগস্পিনার হিসেবে গড়ে তোলে। বাউন্স এবং সূক্ষ্ম বৈচিত্র্য রয়েছে হাতে। এই বাউন্স ও বৈচিত্র্যের মাধ্যমে তিনি প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের সমস্যায় ফেলতে পারেন।
২০২৩ সালে বেঙ্গালুরুতে ফিরে আসেন এবং সেখানকার এক অ্যাকাডেমিতে তিনি অনুশীলন শুরু করেন। সেই অ্যাকাডেমির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। ২০২৫ সালের মহারাজা টি-টোয়েন্টি ট্রফিতে তিনি ১০ ম্যাচে ২৩টি উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন। তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হন এবং আইপিএল স্কাউটদের নজরে আসেন।
পরে রাজস্থান রয়্যালসের নেট বোলার ছিলেন। এবারের আইপিএলে অভিষেক ঘটল পুঞ্জার।















