আজকাল ওয়েবডেস্ক: ৪ জুন, ২০২৫। আইপিএলের ইতিহাসে বিষাদের এক দিন।
আনন্দ, উচ্ছ্বাসের চিন্নাস্বামীতে নেমে এসেছিল শোকের পরিবেশ। মৃত্যু এসে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছিল এগারো জনকে।
আরসিবি চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় মানুষের উল্লাস, মানুষের ঢল, আর সেই উচ্ছ্বাসের মাঝেই আচমকাই থেমে গিয়েছিল এগারোটি তাজা প্রাণ। সব মিলিয়ে দিনটি হয়ে উঠেছে ইতিহাসের এক নীরব, ভারী অধ্যায়।
এক বছর পর সেই চিন্নাস্বামীতে আলো জ্বলবে, গ্যালারি ভরবে, মাঠে নামবেন বিরাট কোহলিরা।
এ যেন স্মৃতির ভিতর দিয়ে হাঁটা। প্রতিটি পদক্ষেপে রয়েছে সেই দিনের অদৃশ্য ছায়া।
কর্ণাটক ক্রিকেট সংস্থার সিদ্ধান্ত তাই শুধুই আয়োজনের অংশ নয়, এক গভীর উপলব্ধিরও প্রকাশ। স্টেডিয়ামের ভিতরে বসানো হবে একটি স্মৃতিফলক। যেখানে খোদাই করা থাকবে কিছু নাম। লেখা থাকবে অসময়ে থেমে যাওয়া কিছু স্বপ্নের গল্পও।
সেই এগারোটি ফাঁকা আসন, যেগুলো কখনও বিক্রি হবে না। সেগুলো নিছক কোনও শূন্যতা নয়, বরং এক অনন্ত উপস্থিতি। প্রতিটি ম্যাচে, প্রতিটি করতালির মাঝেও তারা নীরবে জানিয়ে দেবে, এই আনন্দের ভিড়ে কিছু মানুষ চিরদিনের মতো অনুপস্থিত।
২৮ মার্চ আরসিবির প্রথম ম্যাচ সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সঙ্গে। ম্যাচের আগে এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হবে। স্কোরবোর্ডে ভেসে উঠবে সেই নামগুলো। থাকবে স্মৃতিসৌধ।
শব্দহীন সেই মুহূর্তে ফিরে আসবে স্মৃতি, ফিরে আসবে অদৃশ্য কিছু মুখ, যারা আর কখনও গ্যালারিতে বসবে না।
ভেঙ্কটেশ প্রসাদের কথার মধ্যেও তাই ধরা পড়ছে বেদনা। তাঁদের ভুলে যাওয়া নয়, বরং মনে রাখার এক প্রতিজ্ঞা। কিছু ঘটনা নীরবতার মধ্যেই বাঙ্ময় হয়ে ওঠে।
ক্রিকেট আবার শুরু হবে। ফিরবে উল্লাসও। তবু চিন্নাস্বামী জানবে, প্রতিটি আনন্দের ভিতরেই লুকিয়ে থাকে শোকের কাহিনি। আর সেই এগারোজন, তাঁরা আর দর্শক নন, তাঁরা এই মাঠেরই অংশ হিসেবে থেকে যাবেন।
