আজকাল ওয়েবডেস্ক: মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের তারকা বোলার জশপ্রীত বুমরাহ টানা পাঁচটি আইপিএল ম্যাচে কোনও উইকেট নিতে পারেননি। 
অবিশ্বাস্য শোনালেও, বুমরাহর এই উইকেটশূন্য অবস্থা দুই মরশুম জুড়ে বিস্তৃত। 

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএল ২০২৫-এর শেষ ম্যাচে তিনি কোনও উইকেট পাননি। আইপিএল ২০২৬-এ এখনও পর্যন্ত চারটি ম্যাচেও উইকেটশূন্য রয়েছেন। 

তবে ভারতের স্পিন কিংবদন্তি রবিচন্দ্রন অশ্বিন মুম্বই তারকা বুমরাহর হয়ে সওয়াল করেছেন। তিনি বলেছেন, মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের মতো হাই স্কোরিং ভেন্যুতে বুমরাহর নিখুঁত ইয়র্কার এবং রান আটকানোর ক্ষমতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ, উইকেট সংখ্যা নয়।

বুমরাহ টানা ১২২টি বল করেছেন কোনো উইকেট ছাড়াই। যা তাঁর আইপিএল কেরিয়ারের দীর্ঘতম উইকেটহীন সময়।

শেষ পাঁচটি আইপিএল ম্যাচে উইকেট পাননি বুমরাহ--

--০/৪০ (৪ ওভার) বনাম পাঞ্জাব, আহমেদাবাদ
--০/৩৫ (৪ ওভার) বনাম কেকেআর, ওয়াংখেড়ে
--০/২১ (৪ ওভার) বনাম দিল্লি , দিল্লি
--০/৩২ (৩ ওভার) বনাম রাজস্থান, গুয়াহাটি
--০/৩৫ (৪ ওভার) বনাম আরসিবি, ওয়াংখেড়ে

রবিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আরসিবি-র  বিরুদ্ধে ম্যাচে ভারতের তারকা পেসার  উইকেট পাননি। ৪ ওভারে ৩৫ রান দেন তিনি। তবে,মুম্বইয়ের বোলারদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে মিতব্যয়ী ছিলেন। আরসিবি ২০ ওভারে বিশাল ২৪০/৪ স্কোর করে।

?ref_src=twsrc%5Etfw">April 12, 2026

এক্স প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে অশ্বিন বলেন, বুমরাহর উইকেট না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে বেশি আলোচনা করা বিভ্রান্তিকর এবং দলের ক্ষতি করতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিশেষ করে ওয়াংখেড়ের মতো ভেন্যুতে বুমরাহর আসল মূল্য হলো সঠিক ইয়র্কার করা এবং রান আটকে রাখা।

অশ্বিন বলেন, ''বুমরাহর উইকেট না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে, তা দলের ক্ষতি করতে পারে। প্রতিটি বল ইয়র্কার করে রান আটকানো, উইকেট নেওয়ার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে ওয়াংখেড়ের মতো ভেন্যুতে।''

তিনি আরও যোগ করেন, ''একটানা ওভার না করলে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা অনেকটাই নির্ভর করে সঙ্গী বোলারদের উপর। আমরা এত বছর ধরে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলছি, কিন্তু বোলিং ইউনিট হিসেবে পার্টনারশিপে ডিফেন্সিভ বোলিং করার বিষয়টি এখনও পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।''

শেষ পাঁচটি ইনিংসে উইকেট না পেলেও,  দু'টি ম্যাচে ১০-এর বেশি ইকোনমি রেট বুমরাহর। একটি আইপিএল ২০২৫ কোয়ালিফায়ারে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে এবং অন্যটি চলতি মরশুমের আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে।

 

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের তারকা বোলার জশপ্রীত বুমরাহ টানা পাঁচটি আইপিএল ম্যাচে কোনও উইকেট নিতে পারেননি। 
অবিশ্বাস্য শোনালেও, বুমরাহর এই উইকেটশূন্য অবস্থা দুই মরশুম জুড়ে বিস্তৃত। 

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএল ২০২৫-এর শেষ ম্যাচে তিনি কোনও উইকেট পাননি। আইপিএল ২০২৬-এ এখনও পর্যন্ত চারটি ম্যাচেও উইকেটশূন্য রয়েছেন। 

তবে ভারতের স্পিন কিংবদন্তি রবিচন্দ্রন অশ্বিন মুম্বই তারকা বুমরাহর হয়ে সওয়াল করেছেন। 

তিনি বলেছেন, মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের মতো হাই স্কোরিং ভেন্যুতে বুমরাহর নিখুঁত ইয়র্কার এবং রান আটকানোর ক্ষমতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ, উইকেট সংখ্যা নয়।

বুমরাহ টানা ১২২টি বল করেছেন কোনো উইকেট ছাড়াই। যা তাঁর আইপিএল কেরিয়ারের দীর্ঘতম উইকেটহীন সময়।

শেষ পাঁচটি আইপিএল ম্যাচে উইকেট পাননি বুমরাহ--

--০/৪০ (৪ ওভার) বনাম পাঞ্জাব, আহমেদাবাদ
--০/৩৫ (৪ ওভার) বনাম কেকেআর, ওয়াংখেড়ে
--০/২১ (৪ ওভার) বনাম দিল্লি , দিল্লি
--০/৩২ (৩ ওভার) বনাম রাজস্থান, গুয়াহাটি
--০/৩৫ (৪ ওভার) বনাম আরসিবি, ওয়াংখেড়ে

রবিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আরসিবি-র  বিরুদ্ধে ম্যাচে ভারতের তারকা পেসার  উইকেট পাননি। ৪ ওভারে ৩৫ রান দেন তিনি। তবে,মুম্বইয়ের বোলারদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে মিতব্যয়ী ছিলেন। আরসিবি ২০ ওভারে বিশাল ২৪০/৪ স্কোর করে।

এক্স প্ল্যাটফর্মে এক পোস্টে অশ্বিন বলেন, বুমরাহর উইকেট না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে বেশি আলোচনা করা বিভ্রান্তিকর এবং দলের ক্ষতি করতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিশেষ করে ওয়াংখেড়ের মতো ভেন্যুতে বুমরাহর আসল মূল্য হলো সঠিক ইয়র্কার করা এবং রান আটকে রাখা।

অশ্বিন বলেন, ''বুমরাহর উইকেট না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে, তা দলের ক্ষতি করতে পারে। প্রতিটি বল ইয়র্কার করে রান আটকানো, উইকেট নেওয়ার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে ওয়াংখেড়ের মতো ভেন্যুতে।''

তিনি আরও যোগ করেন, ''একটানা ওভার না করলে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা অনেকটাই নির্ভর করে সঙ্গী বোলারদের উপর। আমরা এত বছর ধরে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলছি, কিন্তু বোলিং ইউনিট হিসেবে পার্টনারশিপে ডিফেন্সিভ বোলিং করার বিষয়টি এখনও পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।''

শেষ পাঁচটি ইনিংসে উইকেট না পেলেও,  দু'টি ম্যাচে ১০-এর বেশি ইকোনমি রেট বুমরাহর। একটি আইপিএল ২০২৫ কোয়ালিফায়ারে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে এবং অন্যটি চলতি মরশুমের আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে।