আজকাল ওয়েবডেস্ক: টিম ইন্ডিয়ার কোচিং দলে পরিবর্তন হতে চলেছে। গৌতম গম্ভীরের কোচিং স্টাফদের মধ্যে অন্তত একজনকে সরে যেতে হবে। তবে কাকে সরিয়ে দেওয়া হবে সেটা এখনও জানা যায়নি। ভারতীয় দলের কোচিং স্টাফদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের ভূমিকায় খুশি নয়। সরে যাওয়ার কারণ সেটা না অন্য কোনও কারণ আছে, সেই বিষয়টিও এখনও পরিষ্কার নয়। গম্ভীরের কোচিং গ্রুপ ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দায়িত্ব নেয়। শ্রীলঙ্কা সিরিজ দিয়ে শুরু করে। কয়েকদিন পরে সেই দলে যোগ দেন মর্নি মরকেল। বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজের আগে দলের সঙ্গে যোগ দেন। বাকিরা গম্ভীরের সঙ্গেই যোগ দেয়।
বিসিসিআইয়ের সঙ্গে কোচিং স্টাফদের চুক্তি তিন বছরের। প্রাথমিক দু'বছরের পর আরও এক বছর বাড়ানোর সুযোগ থাকে। কিন্তু শোনা যাচ্ছে, টিম ইন্ডিয়ার একজন কোচিং স্টাফ ইতিমধ্যেই আইপিএলের এক ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে আলোচনা শুরু করে দিয়েছেন। তাঁদের দলে যোগ দেওয়া প্রায় পাকা। এছাড়াও টিম ইন্ডিয়ার আরও একজন কোচিং স্টাফ ছাড়তে পারেন। জানা গিয়েছে, এই পরিবর্তন আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সিরিজে ব্যর্থতার জন্য না। আগে থেকেই কথা চলছিল। শোনা যায়, ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে দুই ম্যাচের টেস্ট হারের পর থেকেই গম্ভীরের ড্রেসিংরুমে ফাটল ধরে। তাই এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই থাকতে চাইছে না। বোর্ডের নির্বাচকদের সঙ্গে কোচিং স্টাফদের মতবিরোধ বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
কোচিং দলে সাইরাজ বাহতুলের সংযোজন স্টপ গ্যাপ সিদ্ধান্ত ছিল না। এর আগে ২০২৪ শ্রীলঙ্কা সিরিজে তিনি ভারতের অন্তর্বর্তী বোলিং কোচ ছিলেন। পারিবারিক ইমার্জেন্সির জন্য তখনও দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি মরকেল। জিম্বাবোয়ে সিরিজে কোচিং স্টাফের একটি অন্য দল পাঠানো হচ্ছে। অনেকের ধারণা, পরপর টুর্নামেন্ট চলায় গম্ভীর সহ তাঁর কোচিং স্টাফকে বিশ্রাম দেওয়া হবে। বোর্ডের এক সূত্র বলেন, 'আমি বুঝতে পারছি না কেন ভিভিএস লক্ষ্মণকে জিম্বাবোয়েতে পাঠানো হচ্ছে। এশিয়ান গেমসেই বা কেন পাঠানো হচ্ছে জানি না। হয়ত বিকল্পের কথা ভাবা হচ্ছে।' আগের দিন বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানান, ইংল্যান্ড সফর শেষ হলেই পারফরম্যান্সের রিভিউ হবে। পরের কয়েকদিন ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের আগে বদলে যেতে পারে গম্ভীরের কোচিং স্টাফের কয়েকজন সদস্য।















