আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ টি২০ বিশ্বকাপ জেতার পরেই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। মহা ধুমধাম করে গৌতম গম্ভীরকে কোচ করে এনেছিল বিসিসিআই। কিন্তু মাস ছয়েকের মধ্যেই কী মোহভঙ্গ হল বোর্ডের!‌ সত্যি বলতে গম্ভীরের কোচিংয়ে এই ছয় মাসে আহামরি সাফল্য নেই ভারতের। শ্রীলঙ্কার মাটিতে ওয়ানডে সিরিজে হারতে হয়েছিল। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ জিতলেও নিউজিল্যান্ডের কাছে ০–৩ হার। তারপর বর্ডার গাভাসকার ট্রফিতে ১–২ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া।


রোহিত ও বিরাটের ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে, তখন আলোচনায় থাকছে গম্ভীর সহ সাপোর্ট স্টাফদের পারফরম্যান্সও। সূত্রের খবর, শাস্ত্রী বা দ্রাবিড়ের সময় ক্রিকেটাররা যতটা সহজভাবে কোচের সঙ্গে মিশতে পারতেন, এখন তা পারেন না। দল নির্বাচনে শেষ কথা বলেন গম্ভীর। কিন্তু দ্রাবিড় জমানায় রোহিতের কথার গুরুত্ব ছিল। এরই মধ্যে বোর্ডের এক কর্তা জানিয়ে দিয়েছেন, ‘‌এখন টেস্ট সিরিজ চলছে। এরপর হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। ভাল ফল না হলে গম্ভীরের জায়গাও নিশ্চিত নয়।’‌ সূত্রের খবর, নির্বাচক কমিটির সঙ্গেও গম্ভীরের সম্পর্ক খুব একটা ভাল নয়। ক্রিকেটাররাও নাকি সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকেন। এই হয়ত সুযোগ মিলবে না। এটা ঘটনা, দ্রাবিড় যতটা নমনীয় ছিলেন, গম্ভীর তা নন। বরাবরই তিনি মেজাজি। ক্রিকেটার থাকাকালীনও ছিলেন। কোচিংয়ে আসার পরও স্বভাব বদলাননি।


বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন মাঠে। এই পরিস্থিতিতে বোর্ডের ওই কর্তা বলেছেন, ‘‌প্রথম পছন্দ ছিলেন লক্ষ্মণ। এছাড়াও বেশ কিছু বিদেশি কোচও ছিলেন পছন্দের তালিকায়। গম্ভীরের সঙ্গে একটা সমঝোতায় আসা হয়েছিল। ব্যস এটুকুই। গম্ভীর কোনওদিনই প্রথম পছন্দ ছিল না বিসিসিআইয়ের।