আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ১-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। 

ম্যাচ শেষে একটি মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শেষ বাঁশি বাজার পর ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের জোলের বোতল হাতে নিয়ে সেটি গভীর আগ্রহ নিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায় মেসি এবং তাঁর সতীর্থদের। সেই সময় সতীর্থ নিকো গনজালেজকে বোতলটি ধরে থাকতে দেখা যায়। 

পিকফোর্ডের বোতলে লাগানো ছিল বিশেষ কিছু নোট, যেখানে সম্ভাব্য টাইব্রেকারের কথা মাথায় রেখে আর্জেন্টিনার প্রতিটি খেলোয়াড় কোন দিকে শট নিতে পারেন, সে সম্পর্কিত তথ্য লেখা ছিল। সম্প্রচারকারী ক্যামেরাতেও ধরা পড়ে, আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় গোলরক্ষকের সেই ‘চিট শিট’ আগ্রহ নিয়ে দেখছেন।

গোলরক্ষকদের জলের বোতলে এ ধরনের নোট বা তথ্য লাগিয়ে রাখা আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন কিছু নয়। সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটআউটের আগে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের শট নেওয়ার প্রবণতা বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য প্রস্তুত রাখা অনেক গোলরক্ষকেরই পরিচিত কৌশল। পিকফোর্ডের বোতলেও ছিল সেই প্রস্তুতিরই প্রতিফলন, যা ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে তাদের সূক্ষ্ম পরিকল্পনার প্রমাণ হিসেবে সামনে এসেছে। 

?ref_src=twsrc%5Etfw">July 16, 2026

পিকফোর্ডের জলের বোতল হাতে নিয়ে মেসি ও সতীর্থদের মধ্যে কী কথা হয়েছিল? 

নিকো গনজালেজ: "দেখো, কী পেয়েছি! এখানে লাউতারো, হুলিয়ান—সবাইকে নিয়ে নোট লেখা আছে।"

আর্জেন্টিনা দলের এক স্টাফ সদস্য: "হ্যাঁ, এখানে সব খেলোয়াড়ের তথ্যই রয়েছে।"

লিওনেল মেসি: "কী! কিন্তু এখানে আসলে কী লেখা আছে?"

স্টাফ সদস্য: "সেনেসি, তুমি পড়ে শোনাও... তুমি তো ইংরেজি জানো।"

সেনেসি: "এখানে লেখা আছে, কোন খেলোয়াড় শট নিলে গোলরক্ষককে কোন দিকে ঝাঁপ দিতে হবে।"

মেসি: "মানে, এটা কি গোলরক্ষক পিকফোর্ডের লেখা?"

সেনেসি: "হ্যাঁ। আর তোমার ক্ষেত্রে লেখা আছে, 'মেসি বাঁ দিকে শট নেওয়ার ভান করে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ডান দিকে বল মারে।'"

মেসি (বিস্মিত হয়ে): "তাহলে গোলরক্ষক আমার পেনাল্টি নেওয়ার ধরন নিয়েও ভালভাবেই বিশ্লেষণ করেছে!"

যদিও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ গড়ায়নি টাইব্রেকারে, তবুও পিকফোর্ডের এই প্রস্তুতি এবং ম্যাচ শেষে মেসির সেই নোট খুঁটিয়ে দেখার দৃশ্য ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বেশ কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। ভিডিওটি ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।