আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিশ্বকাপে অংশ নেবে ইরান। জানিয়ে দিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্টিনো। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত পরিস্থিতি রয়েছে। আমেরিকা–ইজরায়েল পালা করে হামলা চালাচ্ছে ইরানের উপর। হামলায় মারা গিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ইয়াতোল্লা আলি খামেনেই। এরপরেই ইরান জানিয়ে দিয়েছিল, এই পরিস্থিতিতে কোনওভাবেই তারা বিশ্বকাপে অংশ নেবে না। প্রসঙ্গত, এবার ফিফা বিশ্বকাপ হবে আমেরিকা, মেক্সিকো ও কানাডায়।


এই সংঘাত আবহে ইরান কোনওভাবেই আমেরিকায় যেতে রাজি নয়। এটাই সেদেশের সরকার জানিয়েছিল। কিন্তু ফিফা সভাপতি জানাচ্ছেন বরফ নাকি গলেছে। ইরান বিশ্বকাপ খেলতে রাজি হয়েছে। ইনফ্যান্টিনো বলেছেন, ‘‌আমি নিশ্চিত ইরান অবশ্যই খেলতে আসবে। আশা করি ততদিনে পরিস্থিতি শান্ত হবে।’‌ 


ইনফ্যান্টিনো আরও বলেছেন, ‘‌ইরান অবশ্যই খেলতে আসবে। ফুটবলাররা দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। ইরান বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করেছে। আর ইরানের ফুটবলাররাও বিশ্বকাপে খেলতে চায়।’‌


প্রসঙ্গত, ১১ জুন থেকে শুরু হবে বিশ্বকাপ। আর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পশ্চিম এশিয়ায় এই সংঘাতের আবহ চলছে। যদিও ইনফ্যান্টিনো বলছেন, ‘‌খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে রাখা উচিত। সেতু বন্ধনের কাজটা ফিফাকেই করে যেতে হবে।’‌ 


এদিকে, দিয়েগো মারাদোনার মৃত্যু নিয়ে রহস্য আজও অব্যাহত। সাড়ে পাঁচ বছর পরেও জানা যায়নি, ঠিক কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল এই বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তির। স্বাভাবিক মৃত্যু না অস্বাভাবিক মৃত্যু? তা নিয়ে আজও জল্পনা অব্যাহত। এদিকে, স্বচ্ছতার অভাবে এক বছর বন্ধ থাকা বিচার প্রক্রিয়া আবার নতুন করে শুরু হয়েছে।


এটা ঘটনা, খেলোয়াড় জীবনে ও অবসর জীবনে একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন মারাদোনা। যার অন্যতম কারণই ছিল বেহিসেবি জীবন। এ জন্য তাঁকে বহুবার সমস্যায়ও পড়তে হয়েছে। ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর মারাদোনার মৃত্যুর পর তাঁর আইনজীবী তদন্তের দাবি জানান। তাঁর অভিযোগ ছিল, চিকিৎসার অভাবেই মৃত্যু হয়েছে আর্জেন্টিনার প্রাক্তন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের। ঠিকঠাক চিকিৎসা হলে দ্রুত মৃত্যু এড়ানো যেত। অথচ মারাদোনার চিকিৎসা এবং দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন ২০ জন চিকিৎসক। তা হলে তাঁরা কি দায়িত্ব পালন করেননি? না করলে, কেন করেননি? এই সব প্রশ্নের উত্তর জানতে চান মারাদোনার ভক্তরাও।