আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রায় এক যুগের ট্রফির খরা কাটিয়ে সুপার কাজ জিতেছিলেন প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। লাল-হলুদের বর্তমান কোচ অস্কার ব্রুজোঁ কি কুয়াদ্রাতকে ছুঁতে পারবেন? সুপার কাপের সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার নামছে ইস্টবেঙ্গল। প্রতিপক্ষ পাঞ্জাব এফসি। ম্যাচ জিতলে ফাইনালের পাসপোর্ট জোগাড় করবে লেসলি ক্লডিয়াস সরণীর ক্লাব।
তবে ফাইনাল এখনও দূরে। শেষ মুহূর্তের তুলির টান দিতে ব্যস্ত অস্কার। সুপার কাপে ডার্বির প্রায় এক মাস পরে ফের খেলতে নামছে ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার বিকেলে ফতোরদার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে ম্যাচ। নক আউট পর্বের প্রস্তুতির জন্য সপ্তাহ খানেক আগেই দল নিয়ে গোয়ায় চলে আসেন ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ কোচ। পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেন।
অস্কার ও তাঁর দল নেতিবাচক মনোভাব পরিহার করে মাঠে নামবে। ইস্টবেঙ্গলের প্রতিপক্ষ পাঞ্জাব সেমিফাইনালের আগে এক মাস সময় পেয়ে নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছে। তারাও পাঁচ বিদেশিকে নিয়ে দল সাজাবে। ২৯ বছর বয়সি নাইজেরিয়ান উইঙ্গারকে সই করিয়েছে পাঞ্জাব।
গ্রুপ পর্বে পাঞ্জাব এফসি একটিও গোল খায়নি। বেঙ্গালুরুকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শেষ চারে উঠেছে তারা। প্রতিপক্ষকে নিয়ে লাল-হলুদ কোচ বলেছেন, “ওদের নাইজেরিয়ান লেফট উইঙ্গার সম্পর্কে জানি। ওদের একজন ব্রাজিলিয়ান সেন্টার ব্যাক আছে। ওদের নিয়ে হোমওয়ার্ক করেছি আমরা। ওরা সর্বশক্তি নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে খেলবে। ওরা যথেষ্ট সংঘবদ্ধ ও লড়াকু দল। প্রতিপক্ষদের ওরা যথেষ্ট বেগ দেয়। গ্রুপ পর্বেই সেই প্রমাণ দিয়েছে। ফলে আমরা খুবই কঠিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলতে নামব। তবে আমি বিশ্বাস করি, আমরা ওদের থেকে একটু হলেও এগিয়ে। আমরা যদি খেলাটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি তা হলে আমাদের জেতার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে।”
অস্কারের চিন্তা তাঁর রক্ষণ নিয়ে। কারণ, ডিফেন্ডার জয় জয় গুপ্তাকে সম্ভবত তিনি পাবেন না। তবে বাকিদের পারফরম্যান্স তাঁর শক্তির জায়গা। সম্প্রতি গোয়ায় এক প্রস্তুতি ম্যাচে ডেম্পোকে ৪-১-এ হারায় ইস্টবেঙ্গল। সমর্থকদের আশা প্রিয় দল ফাইনালে উঠতে পারবে।
