আজকাল ওয়েবডেস্ক: লাল হলুদে এবার ড্যানিশ ডায়নামাইট। আইএসএলের শুরুটা দারুণ করেছে ইস্টবেঙ্গল। দলের শক্তি আরও বাড়াতে সই করানো হল ড্যানিশ সেন্টার ফরোয়ার্ড অ্যান্টন সোজবার্গকে। ষষ্ঠ বিদেশির সঙ্গে এক বছরের চুক্তি। ৭৭ নম্বর জার্সি পরে খেলবেন। শারীরিক শক্তি, এরিয়াল বলে পটু ড্যানিশ স্ট্রাইকার। ফিনিশিংও ভাল। ডেনমার্কের আরহাস ক্লাবে বেড়ে ওঠা। আমেরিকার ক্লাব মন্টেরে বে এফসি থেকে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিলেন ২৫ বছরের ফরোয়ার্ড। ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন লিগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে অ্যান্টনের। ড্যানিশ ইউথ সিস্টেমের প্রোডাক্ট। ফারো আইল্যান্ডে বি ৩৬ তোরশাভনে খেলেছেন। সেখানে ১০টি গোলের পাশাপাশি ৫টি অ্যাসিস্ট আছে। তারপর মন্টেরে বে এফসির হয়ে ইউএসএলে খেলেন। এবার ইস্টবেঙ্গলের হয়ে নিজেকে উজাড় করে দিতে চান ড্যানিশ স্ট্রাইকার। অ্যান্টন বলেন, 'ম্যানেজমেন্টের থেকে ইস্টবেঙ্গলের ইতিহাস সম্বন্ধে শুনেছি। আমি এখানে গোল করে চাই। সতীর্থদের সাহায্য করতে চাই। আইএসএল জিততে ক্লাবকে সাহায্য করাই আমার লক্ষ্য। ফ্যানদের সামনে খেলার জন্য তর সইছে না।' 

ড্যানিশ ফরোয়ার্ডকে নিয়ে আশাবাদী অস্কার ব্রুজো। আশা করছেন, তাঁর সংযোজন স্টাইকিং ফোর্সকে আরও শক্তিশালী করবে। অস্কার বলেন, 'ইস্টবেঙ্গল পরিবারে অ্যান্টনকে স্বাগত জানাতে পেরে খুশি। এত অল্প বয়স হওয়া সত্ত্বেও পরিণত। শারীরিক শক্তি এবং প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব আছে। একইসঙ্গে দক্ষ। বিশেষ করে সংক্ষিপ্ত লিগে ওর মতো প্লেয়ার দলের প্রয়োজন। ওর এনার্জি এবং গোলের খিদে দলকে সাহায্য করবে। এর পাশাপাশি ও নিজেও আরও উন্নতি করার সুযোগ পাবে।' ইস্টবেঙ্গলের হেড অফ ফুটবল থংবয় সিংটো মনে করছেন, পাওয়ায় এবং টেকনিকের মিশেল অ্যান্টন। সেন্টার ফরোয়ার্ডের এই দুটি গুণ থাকা বাধ্যতামূলক। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গোলের খিদে। যা লাল হলুদ জার্সিতে তাঁকে অপ্রতিরোধ্য করে তুলতে পারে। প্রসঙ্গত, এবার আইএসএলের শুরুটা ভাল করেছে ইস্টবেঙ্গল। ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচেই নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসিকে বড় ব্যবধানে হারায়। একই ছন্দ ধরে রাখতে চাইবে লাল হলুদ ব্রিগেড।