আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলের পথে কাঁটা বিছিয়ে দিলেন প্রাক্তনীরা‌। মাদি তালাল এবং মেসি বাউলির দাপটে ছন্নছাড়া লাল হলুদ। ঘরের মাঠে প্রথম হার। ইস্টবেঙ্গলের দুই প্রাক্তনীর হাতে হারের কথা স্বীকার করে নিলেন অস্কার ব্রুজো। পাশাপাশি জানালেন, গোল নষ্টের খেসারত দিতে হয়েছে। অস্কার ব্রুজো বলেন, 'মাদি তালাল দারুণ ছন্দে আছে। মোটিভেশন প্রচুর। মেসিও ভাল খেলেছে। ওরা প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল খেলেছে এবং সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। উইঙ্গাররা ভাল খেলেছে। আমরা প্রচুর সুযোগ নষ্ট করেছি। ওরা তুলনায় সুযোগগুলো কাজে লাগিয়েছে। ম্যাচটা ড্র হওয়ার মতো ছিল না। আমাদের জেতা উচিত ছিল। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় গোল করা উচিত ছিল। বলের কন্ট্রোল নিয়ে নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমরা সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারিনি।'

অস্কার মেনে নেন, একটানা ভাল খেলতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। কিছু অংশে ভাল খেলেছে দল। ইস্টবেঙ্গল কোচ জানিয়ে দেন, এদিন পুরো ছন্দে ছিল না তাঁর দলের মিডফিল্ডাররা। এনার্জিরও অভাব ছিল। অস্কার বলেন, 'আমাদের বেশ কিছু মুহূর্ত ছিল। প্রথম ৩০ মিনিট মানিয়ে নিতে সময় লেগেছে। মিডফিল্ডাররা ভাল খেলতে পারেনি। সবাই পুরো এনার্জি দিতে পারেনি। জামশেদপুরের জয়ের খিদে আমাদের থেকে বেশি ছিল। আমরা প্রথম গোল সেট পিসে খেয়েছি। দ্বিতীয় গোল হজম করা উচিত হয়নি। আমাদের হার হজম করতে এগিয়ে যেতে হবে। পরের ম্যাচ গোয়ার বিরুদ্ধে। ওরাও ছন্দে আছে। আশা করছি পরের ম্যাচে তিন পয়েন্ট পাব।' 

পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের। আগের বছরও হারের পর একাধিকবার রেফারির দিকে আঙুল তোলে ইস্টবেঙ্গল। এদিন ম্যাচ শেষে দেবব্রত সরকার বলেন, ' ম্যাচটা হেরে গিয়েছি। খুব বাজে খেলেছি আমরা। খেলতে পারিনি। আমাদের চার-পাঁচটা ছেলে রোজা করছে। ক্লান্তি এসে যাচ্ছে। তবে আমরা পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হলাম। কেন? হাতে বল লাগল, লাল কার্ড হওয়া উচিত ছিল। তবে বিশেষ কিছু বলতে চাই না। হেরে গেলে এইসব বললে লোকে অন্যরকম ভাবে।' ইস্টবেঙ্গলের পরের ম্যাচ গোয়ার বিরুদ্ধে। ঘরের মাঠে প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যে নামবে ব্রুজোর দল। এদিকে মাদি তালাল জানান, ইস্টবেঙ্গল ছাড়লেও সমর্থকদের এখনও মিস করেন। ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় তালাল বলেন, 'ইস্টবেঙ্গল এখনও আমার মনে-প্রাণে। কলকাতাকে মিস করি।'