আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বকাপে তিন ম্যাচে টানা শূন্য করেছিলেন। অর্ধশতরান মাত্র দুটো ম্যাচে। একটি সুপার এইটে জিম্বাবোয়ে। আর একটা ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে।
প্রথম বল থেকেই আক্রমণ। এটাই অভিষেকের স্ট্রাটেজি। বিশ্বকাপে এই কাজ করতে গিয়েই শূন্যর হ্যাটট্রিক করে ফেলেছিলেন। কিন্তু হেড কোচ গৌতম গম্ভীর সহ সতীর্থ ক্রিকেটাররা পাশে ছিলেন বলেই কামব্যাক করতে পেরেছিলেন অভিষেক। আট ম্যাচে ১৪১ রান যদিও অভিষেক সুলভ নয়।
আইসিসি টি–২০ র্যাঙ্কিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় তিনি এক নম্বরে। কিন্তু বিশ্বকাপে সেই খেলাটা খেলতে পারেননি। কিন্তু গম্ভীরের জন্যই সেই মনের জোর পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক। এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক বলেছেন, ‘গোতি ভাই খুব সৎ। সব সময় স্পষ্ট কথা বলেন। কঠিন সময়ে গম্ভীর ভাই উৎসাহ দিয়েছিল। মনে সাহস দিয়েছিল। নিজের স্বাভাবিক কাজটাই করে যেতে বলেছিল।’ অভিষেকের কথায়, ‘গোতি ভাই বলেছিলেন, একটা ভাল ইনিংস ছন্দ ফিরিয়ে দেবে। একটা ভাল ইনিংস দলকে জেতাবে। ফাইনালে সেই কাজটা করতে পারায় খুব খুশি।’
ফাইনালে ২১ বলে ৫২ রান করেছিলেন অভিষেক। ১৮ বলে করেছিলেন অর্ধশতরান। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে অর্ধশতরান করলেও তাতে সেই মেজাজ ছিল না। অভিষেকের কথায়, ‘টুর্নামেন্টে বার বার শুরুতেই আউট হয়ে যাচ্ছিলাম। ভেঙে পড়েছিলাম। দলের হয়ে খেলতে পারছিলাম না। কিন্তু কোচ ও সতীর্থরা পাশে ছিল। তাই ফাইনালে নিজের সেরাটা দিতে পেরেছিলাম।’
প্রথমবার বিশ্বকাপ খেললেন। বিশ্বকাপ যে তাঁকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে, সেটাও জানিয়েছেন অভিষেক। তাঁর কথায়, ‘কয়েকটা ইনিংসে রান পাইনি। কয়েকটায় পেয়েছি। বুঝতে পেরেছি ক্রিকেটে মানসিক জোর কতটা জরুরি। সবসময় পজিটিভ থাকতে হবে। ভেঙে পড়লেই মুশকিল। সঙ্গে পরিশ্রমটাও করতে হবে। বিশ্বকাপ থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছি।’
এবার সামনে আইপিএল। অভিষেক খেলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে। আইপিএলেও এবার ঝড় তোলার অপেক্ষায় এই তরুণ বাঁহাতি ওপেনার।
