আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করার হুমকি দিয়েছিলেন পিসিবি-র চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। সেই হুমকি শোনার পরে আইসিসি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিল। পিসিবি ও আইসিসি-র মধ্যে যখন দড়ি টানাটানি চলছে, ঠিক সেই সময়ে পাকিস্তান বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা করে দিল।

পাকিস্তানের ঘোষিত দলে রয়েছেন সলমন আঘা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, ফকর জামান, খাজা নাফি, মহম্মদ নওয়াজ, সলমন মির্জা, নাসিম শাহ, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, শাহিন শাহ আফ্রিদি, শাদাব খান, উসমান খান ও উসমান তারিক। 

কিন্তু পাক দলে নেই হ্যারিস রউফের মতো বোলার। মেলবোর্নে হ্যারিস রউফকে বিশাল দুটো ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। এশিয়া কাপ ফাইনালেও তিলক ভার্মার হাতে মার হজম করেছিলেন হ্যারিস রউফ। তার পরে নিজের দেশে পাক পেসারকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। সেই হ্যারিস রউফ এবারের পাক দলে নেই। 
রউফকে বাদ দেওয়ায় অনেকেই বিস্মিত। বিস্মিত অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক ও প্রাক্তন ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ। 

দুই প্রাক্তন অজি তারকা মনে করেন,রউফ সবঅর্থেই একজন ম্যাচ উইনার। তবে দুই অজি ক্রিকেটারই মনে করেন, দল নির্বাচন অনেকটাই নির্ভর করে ক্রিকেটারদের কন্ডিশন ও নির্দিষ্ট ভূমিকার উপরে। 

বিগ ব্যাশ লিগে দারুণ ফর্মে ছিলেন হ্যারিস রাউফ। তবুও তাঁকে দলে রাখা হয়নি। আর তাতেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ফিঞ্চ ও ক্লার্ক। ফিঞ্চ বলছেন, রউফ এক্স-ফ্যাক্টর যোগ করে। টি-টোয়েন্টিতে পাক পেসার বেশি রান দিয়ে ফেলে। 

ফিঞ্চ বলছেন, ''টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ফ্ল্যাট উইকেটে, এমন বোলার থাকা দরকার, যারা খেলার তিনটি ধাপেই উইকেট তুলে নিতে পারে।''

উইকেট নিতে পারলে ম্যাচ জেতা সম্ভব। কিন্তু উপমহাদেশের উইকেটে বোলিং করা একরম আর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বোলিং করা আরেক ব্যাপার।  ক্লার্ক বলছেন, ''অস্ট্রেলিয়ায় খেলা আর শ্রীলঙ্কা ও ভারতে খেলা এক ব্যাপার নয়।'' 
ক্লার্কের মতে, বিগ ব্যাশে রউফ যে ভূমিকা পালন করেন, উপমহাদেশের পিচে তা কাজে নাও লাগতে পারে। হ্যারিস রউফের ক্ষমতা ও দক্ষতা নিয়ে কারও মনে কোনও প্রশ্ন নেই। কিন্তু পাকি নির্বাচকরা অন্য কিছু হয়তো ভেবে রেখেছিলেন। সেই কারণেই বিশ্বকাপের দলে রাখা হয়নি তাঁকে।