সোম-পার্বতীর জীবনে বিরাট ঝড় আসতে চলেছে। মৃত্যুর মুখে পড়বে সোম! এমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'আমাদের দাদামণি'র নতুন প্রোমোয়। দেখা যাচ্ছে সোমের প্রতি আরও অবিশ্বাস বেড়েছে পার্বতীর। তাই সে সোমকে ছেড়ে চিরকালের মতো চলে যাওয়ার কথা বলে‌‌। সোম বাধা দিলেও পার্বতী তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে‌। এদিকে, তাদের কথার মাঝেই আড়াল থেকে একজন বিষ মাখানো তির ছুড়ে মারে সোমের দিকে। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সে। 

 

সোমকে এই অবস্থায় দেখে ভয়ে চিৎকার করে ওঠে পার্বতী।‌ সে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যায় সোমকে। কিন্তু প্রাথমিক চিকিৎসার পরেই চিকিৎসক জানায়, সোমকে একমাত্র ভগবান ছাড়া কেউ বাঁচাতে পারবে না। পার্বতী তখনই ছুটে যায় মহাদেবের মন্দিরে‌। শাড়ির আঁচল পেতে শিবের কাছে স্বামীর প্রাণভিক্ষা চায়। মহা শিবরাত্রির দিন সোমকে কি বাঁচাতে পারবে পার্বতী? নাকি এখানেই শেষ হবে দু'জনের মান-অভিমানের পথ চলা? প্রোমো দেখে এমনই প্রশ্ন ঘুরছে দর্শকের মনে। 

 

 

কিছুদিন আগেই এই ধারাবাহিকের গল্পে দেখানো হয়েছিল পার্বতীর বিশ্বাস ভেঙেছে সোম! তাদের এতদিনের ভালবাসা এক লহমায় শেষ হয়ে যেতে বসেছে? এমন ঘটনার আঁচ পেয়ে বেজায় চিন্তায় পড়েছিলেন অনুরাগীরা। দেখা গিয়েছিল একজন সদ্য বিবাহিতা মেয়ে এসে দাঁড়ায় সোম-পার্বতীর বাড়ির দরজায়। সে নিজেকে সোমের স্ত্রী হিসেবেই পরিচয় দেয়। 

 

ওই মেয়েটির মুখে এমন কথা শুনে অবাক হয়ে যায় পার্বতী।‌ সে সোমকে জিজ্ঞেস করে কীভাবে সোম দ্বিতীয় বিয়ে করল? যদিও সোম জবাবে জানায় এই বিয়ে সে করেনি। ওই মেয়েটির সিঁথির সিঁদুর তার দেওয়া নয়। এদিকে, সোমের মা এসে বলে সোম তো সমাজের রক্ষাকর্তা, তাহলে এই অবিচার সে কীভাবে সহ্য করবে? এদিকে, পার্বতী সোমকে অবিশ্বাস করে। আর সেই অবিশ্বাস থেকেই তৈরি হয় তাদের মধ্যে দূরত্ব। কিন্তু এবার মৃত্যুশয্যায় সোম, সব সত্যি কি এবার উন্মোচন হবে? পার্বতী আর সোমের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান কি হবে? জানতে হলে চোখ রাখতে হবে 'আমাদের দাদামণি'র নতুন টুইস্টে।