বরাবরই স্পষ্ট কথা বলার জন্য নামডাক আছে অভিনেতা জিতু কামালের। সমাজমাধ্যমে মাঝেমধ্যেই নিজের ব্যক্তিগত মতামত বা কোনও ঘটনা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। সকালেই শিব পুজোর ছবি ভাগ করে নিয়েছিলেন অভিনেতা। তাঁর শিব ভক্তি দেখে আপ্লুত অনুরাগীরা। এদিকে সন্ধে গড়াতেই এক অন্য দর্শনের মধ্যে দিয়ে হেঁটে গেলেন অভিনেতা। অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন নেটিজেনদের সঙ্গে।
জিতু সমাজমাধ্যমে লেখেন, 'একটা দুর্ধর্ষ দর্শনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। যদি তোমার স্ত্রী অথবা প্রেমিকা থাকে তাহলে তুমি অন্য মহিলার সঙ্গে সহজেই ঘুরতে যেতে পারো, ছবি তুলতে পারো।সেই ছবি পোস্টও করতে পারো। কেউ তোমাকে বিচার করবে না। আর যদি তোমার জীবনে প্রেমিকা/নারী না থাকে, তার মানে তুমি রাস্তায় লাইসেন্স বিহীন গাড়ি চালাচ্ছ। সে ক্ষেত্রে কোনো নারীর সঙ্গে দাঁড়ালেই, বা ছবি তুললে তার সঙ্গে সম্পর্ক জুড়ে দেওয়া হবে। অথবা কোন বিবাহিত নারীর সঙ্গে ছবি তুললে অবৈধ সম্পর্কে যুক্ত করা হবে।'
জিতু আরও লেখেন, 'কোনো প্রেমিক-প্রেমিকার সঙ্গে সময় কাটালে তোমাকে কূট-প্রেমিক হিসেবে গণ্য করা হবে। কেয়া বাত,কেয়া বাত, কেয়া বাত…
এইভাবে কত মানুষকে একাকিত্বের মধ্যে আপনারা ঠেলে দিয়েছেন একবার হিসেব করে দেখবেন। সেই একাকীত্ব থেকে কত মানুষ নিজের সুন্দর জীবনটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে,সেটা ভেবে দেখবেন। নিজেদের সংকীর্ণ মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসুন। কামুকতার ঊর্ধ্বে উঠুন।
সবার সঙ্গে মিলেমিশে কথা বলুন।
এই চার দিনের জীবনে,নিজের মন আর মানসিকতাকে আরও বৃহৎ করে তুলুন।' (পোস্টের সমস্ত বানান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।)
জিতুর এই পোস্টে বরাবরের মতোই অজস্র মন্তব্য এসেছে। অনেকেই অভিনেতার কাছে জানতে চেয়েছেন এমন জীবনদর্শন হঠাৎ কীভাবে উদয় হল তাঁর? যদিও পোস্টের কোনও মন্তব্য নিয়ে পাল্টা মন্তব্য করেননি জিতু।
এই মুহূর্তে তাঁকে দেখা যাচ্ছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'চিরদিনই তুমি যে আমার'-এ। 'আর্য সিংহ রায়'কে পর্দায় দেখে দিনে দিনে বেড়েছে জিতুর অনুরাগী সংখ্যা। দিতিপ্রিয়া রায়ের পরিবর্তে এখন নতুন 'অপর্ণা'র চরিত্রে দর্শক দেখছেন অভিনেত্রী শিরিন পালকে। যদিও মঞ্চে তাঁকে দেখা গেলেও এটাই তাঁর প্রথম মেগা। প্রথমদিকে দ্বিমত থাকলেও এখন শিরিনের অভিনয় দারুণ প্রশংসিত হচ্ছে দর্শক মহলে। জিতু-শিরিনের 'অফস্ক্রিন' বন্ধুত্বও বেশ নজর কেড়েছে দর্শকের।
মাঝে এই ধারাবাহিক শেষের গুঞ্জন এসেছিল। তবে এই মুহূর্তে গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে শেষের ঘন্টা বাজার দেরি আছে বলেই মনে করছেন অনুরাগীরা।
