আজকাল ওয়েবডেস্ক: সময়ের সঙ্গে বাড়ছে কর্মব্যস্ততা। পেশাগত জীবনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে গিয়ে জটিল হচ্ছে ব্যক্তিগত জীবনের সমীকরণ। এদিকে ‘থোড় বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোড়' জীবনের দড়ি টানতে টানতে গ্রাস করছে হতাশা। অল্প বয়স থেকেই শারীরিক অসুখের সঙ্গে থাবা বসাচ্ছে মানসিক রোগও। সামান্য কারণে একরাশ মন খারাপ। আপনিও কি এই সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে সকালের পাঁচ অভ্যাসই বদলে দিতে পারে আপনার জীবন। রইল হদিশ-

১. একঘেয়ে জীবনে মনোযোগ আনতে সাহায্য করে ধ্যান। যদিও প্রথম দিকে হয়েতো ধ্যানে মন নাও বসতে পারে। তবে হাল ছাড়বেন না। বেশ কয়েকটি যোগ ব্যয়াম করলেও সারা দিন উপকার পাবেন। শারীরিক থেকে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে যোগ ব্যায়ামের কোনও তুলনা নেই। যোগব্যয়াম ছাড়াও ৩০ মিনিট যে কোনও ধরনের শরীরচর্চা করতে পারেন।  

২. সকালে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি ওঠার চেষ্টা করুন। কারণ দ্রুত সকাল শুরু হলে কাজের ব্যস্ততার জন্য তাড়াহুড়ো হবে না। ফলে নিজের জন্য সকালে খানিকটা সময় পাবেন। খুব দেরি করে উঠলে ঘুম ভাঙার পরই ব্যস্ততা শুরু হয়ে যায়।  

৩. সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে হলে রাতে শুতেও হবে তাড়াতাড়ি। ঘুম যদি রাতে ঠিক মতো না হয়, তাহলে কিছুতেই সকালে মেজাজ ঠিক থাকে না। সারা দিন মন বসে না কোনও কাজেই। সুস্থ শরীর ও মনের জন্য ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম খুব জরুরি।

৪. স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্ট দিয়ে দিন শুরু করুন। ব্রেকফাস্ট আমাদের সকালের প্রথম খাবার। তাই যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন ব্রেকফাস্ট না খেয়ে অফিস-কাছারিতে বেরোলে চলবে না। ওজন কমাতে গেলে প্রোটিন জাতীয় খাবারে জোর দিন।

৫. ঘুম থেকে উঠে কিছু লেখার চেষ্টা করুন। তা সে নিজের সারাদিনের রুটিনই হোক কিংবা নিজের বিষয়ে দু’চার কথা। নিজের মনের কথা লিখে রাখলে মানসিক চাপ কমবে। একইসঙ্গে পরদিন সকালে কী কী করবেন অর্থাৎ 'টু ডু লিস্ট' আগের দিন রাতে লিখে রাখতে পারেন।