আজকাল ওয়েবডেস্কঃ চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ ১২০/৮০ হওয়া উচিত। রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশপাশে থাকে তাহলে লো ব্লাড প্রেশার হিসেবে ধরা হয়। নির্দিষ্ট কোনও শারীরিক সমস্যায় হেরফের হতে পারে। প্রেশার যদি অতিরিক্ত কমে যায়, তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃৎপিণ্ডে ঠিকভাবে রক্ত চলাচল করতে পারে না! যার ফল হতে পারে মারাত্মক! কিন্তু উচ্চ রক্তচাপের মতো রক্ত কমে যাওয়া নিয়ে অনেকের মধ্যেই সচেতনতার অভাব রয়েছে। বিশেষ করে কোন কোন লক্ষণ দেখলে অবহেলা করা উচিত নয়, তা বোঝা জরুরি। জেনে নিন সেইসব উপসর্গ-
মাথাঘোরা বা হালকা মাথাব্যথাঃ নিম্ন রক্তচাপের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে একটি হল মাথা ঘোরা বা হালকা মাথাব্যথা। বিশেষ করে দ্রুত দাঁড়ানোর সময়ে মাথা ঘুরতে পারে। আসলে শরীরে রক্তচাপের মাত্রা হঠাৎ কমে গেলে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহের পরিমাণও কমে। ফলে মাথা ঘোরার মতো অস্থিরতার অনুভূতি হয়।
ঝাপসা দৃষ্টিঃ হাইপোটেনশনের সময় ঝাপসা দৃষ্টি হতে পারে। মস্তিষ্কের মতো চোখেরও অনবরত রক্ত সরবরাহের প্রয়োজন হয়। যখন রক্তচাপের মাত্রা কমে যায়, তখন চোখ প্রয়োজনীয় অক্সিজেন নাও পেতে পারে, যার ফলে দৃষ্টির সমস্যা দেখা দেয়।
ক্লান্তি-দুর্বলতাঃ রক্তচাপ কম থাকলে ক্রমাগত ক্লান্তি বা পেশী দুর্বলতার অনুভূতি হতে পারে। শরীরের অঙ্গ এবং পেশীগুলি পর্যাপ্ত অক্সিজেন এবং পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে না। ফলে ক্লান্তি এবং অবসাদ অনুভূত হয়।
ঠান্ডা ও ফ্যাকাশে ত্বকঃ যখন রক্তের চাপ কমে যায়, তখন শরীর মস্তিষ্ক এবং হৃৎপিণ্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলিতে রক্ত পাঠাতে শুরু করে। ফলে ত্বক, হাত এবং পায়ের মতো অংশগুলি ঠান্ডা এবং ফ্যাকাশে হয়ে যায়। শরীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার কারণে ত্বক ঘাম বা আর্দ্রতাযুক্তও হতে পারে।
অনিয়মিত হৃদস্পন্দনঃ রক্তচাপের মাত্রা কমে গেলে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখার জন্য হৃৎস্পন্দনের গতি বেড়ে যায়। অনিয়মিত হৃৎস্পনের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়।
















